themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131আজ সকালে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা সাহিত্য পরিষদের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খুলনা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের স্থায়ী সদস্য কাজী রিয়াজুল হক, প্রবাসী বাংলাদেশী মোস্তাইন বিল্লাহ দারা, খুলনা সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিসুর রহমান বিশ্বাস, অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ, খুলনার জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সম্প্রতি দু’জন যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির পর জাতিসংঘের বিবৃতির ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. গওহর রিজভী বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশ জাতিসংঘর সদস্য এবং বিভিন্ন সনদে স্বাক্ষর করছে, তাই এ ব্যাপারে কিছু বলার নাই।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিজস্ব সংবিধান অনুযায়ী চলে। সেখানে সংবিধান পরিবর্তন ছাড়া অন্য কিছু করা যাবে না।’
এর আগে গওহর রিজভী সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ হাদিস পার্কের অনুষ্ঠানস্থলে এসে বেলুন উড়িয়ে খুলনা সাহিত্য পরিষদের সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধন করেন।
তিনি এর আগে স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ। খুলনা সাহিত্য পরিষদের প্রবীণ সদস্যদের সম্মাননা ক্রেস্টও প্রধান করেন।
খুলনা সাহিত্য পরিষদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী সাহিত্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। শিশু সাহিত্যিক আলী ইমাম, সঙ্গীতশিল্পী ফাতেমা-তুজ-জোহরা, অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, ভারতের শান্তি নিকেতনের অধ্যাপক ড. মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।
]]>বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটকরা হলেন- আনোয়ার (৪৮) ও জুয়েল (২৫)।
বর্তমানে তাদের শিবগঞ্জ পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় মসজিদের কোষাধ্যক্ষ সোনা মিয়া রাতেই শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল।
]]>বর্তমানে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সিকিউরিটি পলিসি গাইডলাইন, ২০১৩; ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং পলিসি (এনবিপি), ২০১৪; ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (সংশোধিত) আইন, ২০১৩; খসড়া সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০১৫ প্রভৃতি আইন ও নীতিমালা রয়েছে, যার সঙ্গে অনলাইন গণমাধ্যমের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। তাই নতুন কোনো নীতিমালা প্রণয়ন না করে এসব আইনসহ ছাপা পত্রিকার জন্য প্রযোজ্য আইন ও নীতিমালাসমূহ অনলাইন গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে বলে মনে করে নোয়াব।
সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিবৃতিতে বলা হয়, যতসংখ্যক গণমাধ্যম সৃষ্টি হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এর টিকে থাকা নির্ভর করে পাঠক, শ্রোতা বা দর্শকের ওপর। তাই চূড়ান্ত বিচারে পাঠকের ওপর এগুলোর অস্তিত্ব নির্ভর করবে এবং সেই বিচারের জন্য অপেক্ষা করাই শ্রেয় বলে নোয়াব মনে করে।
নোয়াব লক্ষ্য করছে, অনলাইন নীতিমালায় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কথা বলা হলেও ওই ‘কর্তৃপক্ষ’ (কমিশন) নির্ধারণ ছাড়াই সরকার তথ্য অধিদপ্তরের কাছে নিবন্ধনের দায়িত্ব দিয়েছে, যা যুক্তিসংগত নয়। কমিশন গঠিত হওয়ার আগে সরকার অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন বা পরিচালনার বিষয়গুলো নিজ এখতিয়ারে রাখলে এ ধরনের সংবাদমাধ্যমের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ কঠোর হবে, যা মুক্ত সাংবাদিকতার অন্তরায় হয়ে উঠতে পারে। তা ছাড়া এই নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে দলীয় পরিচয় দেখা, হয়রানি বা আর্থিক লেনদেনের মতো স্পর্শকাতর অভিযোগ ওঠাও দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় অসম্ভব ব্যাপার নয়।
সংবাদপত্রের প্রকাশক ও সম্পাদকদের ওই সংগঠনের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, অনলাইন পত্রিকা নিবন্ধনের অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে এ ধরনের গণমাধ্যমের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া অপসাংবাদিকতা রোধ করার কথাও বলা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এগুলো কীভাবে করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। বিষয়গুলো নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আরও আলাপ-আলোচনা এবং এর মাধ্যমে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত ছিল।
নোয়াব মনে করে, এই নীতিমালার সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকারসহ নতুন এই শিল্পের ভবিষ্যৎ জড়িত। তাই তাড়াহুড়া না করে যৌক্তিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ও বাস্তবতার নিরিখে যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণ করাই বাঞ্ছনীয়।
ক্ষে দারিদ্র্যসীমা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয় না। বুধবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করে তিনি জানান, সরকার এ কারণে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সঞ্চয় বৃদ্ধি ও পল্লী কর্মসংস্থান ব্যাংক সৃষ্টির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ঋণের ব্যবস্থা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা জানি, মাইক্রোক্রেডিটের সুদ দিতে দিতে তাদের আর সঞ্চয় থাকে থাকে না। ৃকাজেই দারিদ্র্যের লেভেল থেকে তারা উঠতে পারে না। ওখানেই তাদেরকে পড়ে থাকতে হয়। “আমরা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে তাদেরকে ঋণ দিচ্ছি এবং খামার থেকে তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করছি। সেই সাথে সাথে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করছি ও ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করছি।” দরিদ্র গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। শুরুতে প্রকল্পের মেয়াদ ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত থাকলেও পরে তা সংশোধন করে ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সারা দেশে ৪০ হাজার ৫২৭টি গ্রামে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ বাজার গড়ে তোলা হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা ও ‘গ্রোথ সেন্টারে’ এসব পণ্য বিক্রির জন্য সমবায়ভিত্তিক বাজার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের ‘সফল’ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক করা হয়েছে। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সঞ্চয়ের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা, “কেউ যদি একশ টাকা জমাতে পারে, সরকার সেখানে আরও একশ টাকা দেয়। দুই বছর পর্যন্ত আমরা সেভাবে দিয়ে থাকি। এভাবে টাকা দেওয়ার ফলে যে অর্থ জমেছে সেটা দিয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক আমরা করে দিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ব্যাংকে যারা টাকা জমাচ্ছেন, এটা তাদেরই ব্যাংক, তারাই পরিচালনা করবেন এবং ঋণ নিতে পারবেন। “গ্রামে তৃণমূল পর্যায়ে সঞ্চয়ের ব্যবস্থা ও অর্থ সরবরাহ করা, অর্থাৎ, মানুষ যাতে দারিদ্র্য থেকে উপরে উঠে আসতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।” অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটের দহগ্রামে গ্রামীণফোনের থ্রিজি ইন্টারনেট সেবার উদ্বোধন করেন। এসময় দহগ্রামে ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। প্রধানমন্ত্রী তথ্য-প্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “তথ্য-প্রযুক্তি আজ ব্যাপকভাবে সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার হচ্ছে। যত বেশি ব্যবহার হচ্ছে, চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই সাথে সাথে গতিটাও বৃদ্ধি করা দরকার।” তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। সেই সাথে সাথে ব্রডব্যান্ড, সাবেমেরিন কেবলকে আরও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন করা এবং মানুষের কাছে সেবা আরও ভালোভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রামের মানুষ কীভাবে কৃষি ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা পাচ্ছে সে কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের পাশাপাশি দেশের ৮০০০ পোস্ট অফিসের মধ্যে ৩৫০০ পোস্ট অফিসকে ডিজিটাল সেন্টার পরিণত করা হয়েছে। বাকিগুলোও করা হবে। দেশের মানুষের তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ খুব তাড়াতাড়ি প্রযুক্তি গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারে।” দহগ্রামের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছিটমহল না হলেও ভারতের করিডর ব্যবহার করে সেখানে পৌঁছাতে হত। তার সরকারের উদ্যোগে সেখাতে চলাচলের জন্য প্রথমে ছয় ঘণ্টা পরে ২৪ ঘণ্টা করিডর খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
লালমনিরহাটসহ উত্তবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
]]>
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ বুধবার রাতে দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন। বিএনপির একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।রাত ৮টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা ও আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রাম এবং দলের বর্তমান করণীয় বিষয়ে খালেদা জিয়া দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
]]>