themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131ইন্ডিয়ানা প্রদেশের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যান্থনি ডিয়ার বলেন, ডেভিড চার্লস তার বিরদ্ধে আনা ছয়টি অভিযোগের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন যার একটি ছিলো মানব মস্তিস্ক চুরি।
মারিয়ন কাউন্টির প্রসিকিউটর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ২৩ বছর বয়সী ডেভিড বেশ কয়েকবার ইন্ডিয়ানা মেডিকেল হিস্টোরি মিউজিয়াম থেকে ব্রেইন ও মানবকোষ চুরির চেষ্টা করেন। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে চার্লসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মস্তিস্ক সম্বলিত ছয়টি জার অনলাইন শপিং সাইট ‘ইবে’তে ৬০০ ডলারে বিক্রি করেন। মূলত: সেখান থেকেই পুলিশে খবর দেয়া হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৮৪৮ সালে স্থাপিত এই ইন্ডিয়ানা মেডিকেল হিস্টোরি মিউজিয়াম নামের যাদুঘরটি আগে মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। এরপর এটি জাদুঘর হিসেবে তৈরি করা হয় এবং মস্তিস্কসহ মানবদেহের অন্যান্য অঙ্গ জমা রাখা হয়া
]]>পরীক্ষায় ধরা পড়ে, তাঁর গল ব্লাডার বা পিত্তাসয়ে পাথর হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে পাথর বের করতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠে চিকিৎসকদের। বছর ৫১-র ওই মহিলার গল ব্লাডার ভর্তি ছোট ছোট অসংখ্য পাথরে!
অপারেশনের পর শুরু হয় গণনা। চলে সাড়ে চার ঘণ্টা। দেখা যায়, পাথরের সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫০। এর আগে কারও পেট থেকে এত পাথর বেরিয়েছে কি? পৃথিবীতে সেরকম রেকর্ড আছে বলে মনে করতে পারছেন না চিকিৎসকরা। বিরল এই ঘটনার কথা জানানো হয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষকে।
]]>হাত বাড়ালেই সেই হীরার খনি। আমাদের থেকে মাত্র ৪০ আলোকবর্ষ (এক সেকেন্ডে এক লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল গতিবেগে আলো এক বছরে যতটা দূরত্ব যায়, ততটা) দূরে। বলা যায়, আমাদের সৌরমণ্ডলের ‘পাশের বাড়ির বন্ধু’!
সেই হীরার খনি কত বড়, জানেন? চমকে যাবেন না! তিন-তিনটি পৃথিবীকে পাশাপাশি রাখলে, তা যতটা জায়গা জুড়ে থাকে, ততটা জায়গা জুড়ে রয়েছে ওই হীরার খনি। রাতের আকাশে যাকে আমরা ছাদে উঠে খালি চোখেই দেখতে পারি। ‘ক্যান্সার’ নক্ষত্রপুঞ্জে। যে চক্কর মারছে ‘55Cancri’ নামে একটা অসম্ভব রকমের গরম তারা বা নক্ষত্রের চারপাশে। সেটাই তার ‘সূর্য’। সেই ‘সূর্য’কে চক্কর মারছে পাঁচটি গ্রহ। ‘Cancri-a’ থেকে ‘Cancri-e’। আমরা যে হীরার খনির কথা বলছি, সেই ‘Cancri-e’ গ্রহটি ওই ‘সৌরমণ্ডলে’র বাকি চারটি গ্রহের থেকে একেবারেই আলাদা। একেবারে ঝকঝকে হিরেয় মোড়া, প্রায় আদ্যোপান্তই!
২০১১-য় এই ‘হীরার গ্রহ’টি প্রথম যাঁর নজরে পড়েছিল, তিনি এক জন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিক্কু মধুসূদন। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-পদার্থবিদ কানানি লি’র সঙ্গে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমির অধ্যাপক নিক্কু মধুসূদনের সেই যৌথ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয় ‘অ্যাস্টোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স’-এ।
কতটা হিরে রয়েছে আমাদের সবচেয়ে কাছের ওই বৃহত্তম হিরের খনিতে? জ্যোতির্বিজ্ঞানী মধুসূদন তার ব্লগে জানিয়েছেন, ‘আমাদের সৌরমণ্ডলের বাইরে থাকা ওই ‘সুপার আর্থ’ গ্রহের এক-তৃতীয়াংশই হীরায় মোড়া। তার পিঠটাও মোড়া রয়েছে হীরা আর গ্রাফাইটে। সেই গ্রাফাইট, যা দিয়ে বানানো হয় পেন্সিলের শিস। তিনটি পৃথিবীর ওজন যোগ করলে যা হয়, ততটাই। মানে, ১৭.৯১৬-এর পর ২৭টা শূন্য বসালে যে সংখ্যাটা দাঁড়ায়, তত কিলোগ্রাম! এখন আমাদের এই গ্রহে এক ক্যারাট বা ০.২ গ্রাম ওজনের হীরার দাম কয়েক হাজার মার্কিন ডলার। তা হলে বুঝুন, আমাদের প্রায় নাগালেই থাকা ওই গ্রহের দাম কত হতে পারে!’
কী ভাবে জন্মাল ওই ‘হীরার গ্রহ’? বেঙ্গালুরু থেকে টেলিফোনে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর জোতির্বিজ্ঞানী সুজন সেনগুপ্ত জানিয়েছে, এই সদ্য আবিষ্কৃত ‘Cancri-e’ গ্রহটি একটি পাথুরে গ্রহ। পৃথিবীর মতো পাথুরে গ্রহগুলিতে অক্সিজেন অণুর পরিমাণ কার্বন অণুর দ্বিগুণ। তাই ভূপৃষ্ঠে অক্সিজেনের যৌগ জল, কার্বন ডাই-অক্সাইড আর সিলিকেট অক্সাইড পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে। মঙ্গলও অনেকটা সে রকমই। আসলে আমাদের সৌরমণ্ডলে যে মেঘ থেকে বিভিন্ন গ্রহের জন্ম হয়েছিল, তাতে কার্বনের চেয়ে অক্সিজেন অণুর পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। কিন্তু, পরিস্থিতিটা যদি উল্টো হয়, যদি অন্য কোনও ‘সৌরমণ্ডলে’ কার্বনের পরিমাণ বেশি হয়ে যায় অক্সিজেনের চেয়ে কোনও তারা বা তার গ্রহে, তা হলে সেই ‘সূর্য’কে বলা হয় ‘কার্বন স্টার’।
আর তার চার পাশে যে ‘গ্রহ’গুলি চক্কর মারে, তাদের বলা হয় ‘কার্বন প্ল্যানেট’। প্রচণ্ড তাপ আর চাপে ওই কার্বন পরমাণুগুলিই হীরার কেলাস তৈরি করে। সেই ভাবেই গড়ে ওঠে ‘হীরার গ্রহ’ বা ‘ডায়মণ্ড প্ল্যানেট’। তাপ ও চাপ অত্যন্ত বেশি বলে আমাদের পৃথিবীরও পিঠের ১৫০/২০০ কিলোমিটার নীচে হীরা জন্মায়। অগ্নুৎপাতে নীচ থেকে সেই হীরা আমাদের ভূপৃষ্ঠের ওপরে উঠে আসে। এটাই আমাদের প্রাকৃতিক হীরা। কিন্তু তাপ ও চাপ দুই-ই পৃথিবীর চেয়ে অনেক বেশি বলে হীরের গ্রহ ‘Cancri-e’তে হীরার উজ্জ্বলতা অনেক বেশি। কাঠিন্যও বেশি। হীরার গ্রহের পিঠের তাপমাত্রা প্রায় ৩৯০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। সে তার ‘সূর্য’ ‘55Cancri’-র রয়েছে খুব কাছেই। মানে, তার গা জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে।
আরও কি ‘হীরার গ্রহ’ থাকতে পারে মহাকাশে? সুজনবাবু জানাচ্ছেন, ‘আরও অনেক হীরার গ্রহ রয়েছে। আর তা হয়তো রয়েছে অন্য কোনও সৌরমণ্ডলের ‘হ্যাবিটেব্ল জোন’ বা বাসযোগ্য এলাকায়!’
তা হলে তো এমন সময়ও আসতে পারে, যে দিন অন্য সৌরমণ্ডলে পাওয়া যাবে দুর্মূল্য হীরার খনির মালিক!
যাকে বলে সোনায় সোহাগা! ভিন গ্রহে প্রাণও হল! উপরি পাওনা হল- হীরা!
]]>দেশের পুলিশ সদস্যদের নানা সমস্যা সম্ভাবনা ও প্রতিকার আশা করে লেখা চিঠির লেখক উনাল বেনলিআলপের একজন অবসরপ্রাপ্ত নাবিক। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌছানোর উদ্দেশ্যে চিঠির মূল কপি ইজমির শহরের প্রধানমন্ত্রী শাখা দপ্তরে দাখিল করা হয়েছে। ৪৩০ পাতার জোড়া লাগানো চিঠিটি অল্প কিছু দিনের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌছাবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা।
তবে তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে চিঠি লেখাটা বেনলিআলপের কাছে এই প্রথম নয়। ২ বছর আগে আরও একবার উনাল পুলিশ নিয়ে ২১৫ পাতার একটি চিঠি লিখেছিলেন রাষ্ট্রপতি এরদোগান বরাবর। যার দৈর্ঘ্য ছিলো ৭৫ মিটার। এবার নিজের রেকর্ড ভাঙ্গার সাথে সাথে গিনেজ বুকেও নিজের নাম লেখাতে চলেছেন তিনি।
চিঠির বিষয়বস্তু পুলিশ হবার কারণ হিসেবে উনাল জানিয়েছেন ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু তাই তাদের থেকে অনেক কিছু আশা করে জনগণ। তবে সরকারেরও উচিৎ পুলিশের উপযুক্ত সমাদর করা।’
গত ১৭০ বছরের ইতিহাসে তুরস্কের পুলিশ প্রশাসনের নানা চাওয়া পাওয়া, সমস্যা ও অপূর্ণ সমাদরকেই তাই চিঠির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন সরকারের কাছে।
তবে এখানেই থেমে না থেকে পরবর্তী চেষ্টায় ১ কিলোমিটার লম্বা চিঠি লিখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে রেকর্ড নয় চিঠির বিষয় বস্তুর উপর সরকারের নজর কাড়ার প্রচেষ্টাও যেনো সফল হয় এই আশা তার।
প্রাপ্ত এক গবেষণায় দেখা গেছে তুরস্কের মানুষের গড় আয়ু ৫৬.৯ বছর হলেও পুলিশ প্রশাসনে চাকরিরতদের বয়সের গড় সাধারণের চেয়ে ১৯ বছর কম। তাই লেখকদের কাছে তুরস্কের পুলিশ প্রসাশন এমনি আগ্রহের একটা বিষয়।
]]>২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে কুকুর প্রদর্শনী ও বিকাল ২টা থেকে কুকুর র্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের চেয়ারম্যান দার্শনিক জালাল উদ্দিন মজুমদারের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, ‘বিদেশ থেকে যে আমদানি করে আনা যে কুকুর আমাদের দেশেও সেই কুকুর। পার্থক্যটা হল বিদেশি কুকুর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আমাদের দেশের সারাইল উপজেলার কুকুররের ব্যাপক পরিচিতি ছিল। আজ তা প্রায় বিলুপ্তির পথে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটিমাত্র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর থাকলে বাড়ি চোর. ডাকাত, সন্ত্রাস, অবৈধ মালামাল, বোমা বিস্ফোরণ, মাদক বা অন্য কিছু মালিকের ক্ষতি করতে পারে না। বর্তমানে কুকুরের দুধ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক ঔষুধ তৈরি করা হচ্ছে। যা রোধ প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষে আমাদেরে এ আয়োজন।’
তিনি বাণিজ্যক ও পোষা কুকুর নিয়ে এ প্রদর্শনীতে আসার জন্য সকল কুকুর মালিকদের আহ্বান জানান। এ প্রদর্শনীতে শ্রেষ্ঠ কুকুর বিবেচনা করে মালিকদের পুরস্কারও দেয়া হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
প্রসঙ্গত, বেশ কিছু দিন আগে দার্শনিক জালাল উদ্দিন মজুমদার রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি কড়ই গাছে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অবস্থান করে অভিনব প্রতিবাদ জানান।
]]>নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাজা খাদ্য নভোচারীদের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নভোচারীরা এর আগেও মহাকাশে ফসল ফলিয়েছেন, তবে এই প্রথমবার তাদেরকে সেই খাদ্য খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
]]>