Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php:6131) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
লাইফস্টাইল – news17.onlinebangla24.com https://news17.onlinebangla24.com Sun, 29 Nov 2015 10:02:38 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.10 দাড়ি রাখতে চান? জেনে নিন কী কিভাবে যত্ন নেবেন https://news17.onlinebangla24.com/?p=8494 Sun, 29 Nov 2015 10:02:38 +0000 http://jamunanewsbd.com/?p=8494 কদিন ধরেই ভাবছিলেন দাড়ি রাখবেন। সাত-পাঁচ না ভেবে দাড়ি রেখেই দিলেন। শীতের কামড় থেকেউ একটু রক্ষা পাওয়া যাবে। কিন্তু দাড়ি রেখেই তো আর কাজ শেষ হয়ে যায় না। চুলের যেমন যত্ন নিতে হয়, তেমনি দাড়িরও যত্ন নিতে হয়। নইলে দেখবেন এই রুক্ষ, বিবর্ণ আর ময়লা দাড়ি নিয়ে আপনার বিপত্তির শেষ থাকবে না। জেনে নিন দাড়ির যত্ন নেবার ছোট্ট কিছু নিয়ম।

অনেকেই জানেন এই মাসটা হলো নো শেভ নভেম্বর। সবসময় ক্লিন শেভড থাকেন এমন মানুষও এই মাসে দাড়ি রাখছেন এবং কিছু টাকা দান করছেন পুরুষের ক্যান্সারের গবেষণায়। কারণ যেটাই হোক, আপনি যদি দাড়িটাকে বাড়তে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে দাড়ির যত্ন নেবার এই টুকিটাকিগুলো জেনে রাখা দরকার আপনারও।

১) চুলকানি সহ্য করুন। দাড়ি গজানোর প্রথম দিকে মুখ খুব চুলকাবে। কিন্তু দাড়ি গজানোর জন্য এটুকু আপনাকে সহ্য করে নিতেই হবে।

২) দাড়ি গজানোর জন্য বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। দাড়ির দৈর্ঘ্য কমপক্ষে এক ইঞ্চি হবার আগ পর্যন্ত এটাকে ছাঁটবেন না।

৩) আপনি যদি দেখেন শেভিং বন্ধ করার পর ২-৩ মাস হয়ে গেছে অথচ এখনো আপনার ঠিকমতো দাড়ি গজাচ্ছে না, তাহলে হাল ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সবারই ভালোভাবে দাড়ি গজাবে না, এটাই স্বাভাবিক। ক্লিন শেভ করে ফেলুন।

৪) দাড়ি ছাঁটুন সঠিক উপায়ে। সেলুনে গিয়ে করতে পারেন। সাহস থাকলে নিজেও ছাঁটতে পারেন, তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরী। তবে আপনার দাড়ি যতো বড় বা যতো ছোটই হোক না কেন, প্রতি দুই মাসে একবার ছাঁটা ভালো।

৫) দাড়ি পরিষ্কার রাখুন। তারমানে এই নয় যে ঘাম পরিষ্কার করছেন যে সাবান দিয়ে সেটাই ঘষে নেবেন দাড়িতে। চুলের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সপ্তাহে ২-৩বার শ্যাম্পু করুন আপনার দাড়িতে। শুধু তাই না, কন্ডিশনারও দিতে পারেন।

৬) দাড়িতে তেল দিন। শুনে অনেকেই আমার দিকে পচা ডিম ছুঁড়ে মারার প্রস্তুতি নিতে পারেন। কিন্তু পশ্চিমা দেশে দাড়িকে স্টাইলিশ এবং সুস্থ রাখতে অনেকেই বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত “বিয়ার্ড অয়েল” ব্যবহার করে থাকেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিয়ার্ড অয়েল দেখতে পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে নাও পাওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই তৈরি করে নিতে পারে দারুণ সুগন্ধি একটা বিয়ার্ড অয়েল। আমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেলও দিতে পারেন। স্টাইলিং এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন জেল এবং ওয়াক্স। আর হ্যাঁ, দাড়ি নিয়মিত আঁচড়ে নিতেও ভুলবেন না।

৭) দাড়িকে সুস্থ রাখুন খাবারের মাধ্যমে। এমন কোনো খাবার নেই যেটা দাড়ির জন্য বিশেষভাবে ভালো। তবে ব্যালান্সড ডায়েট সব ক্ষেত্রেই ভালো। আর চুলের জন্য যেসব খাবার ভালো সেগুলোও খেতে পারেন। খাবার সময়ে থাকুন সাবধান। খাওয়া শেষ হবার পর দাড়ি থেকে ভালো করে মুছে নিন খাবারের গুঁড়ো এবং উচ্ছিষ্ট।

]]>
দুধ না খেলে কী হয়? দুধ স্বাস্থ্যের জন্য কেন এত উপকারী https://news17.onlinebangla24.com/?p=8037 Fri, 27 Nov 2015 14:06:39 +0000 http://jamunanewsbd.com/?p=8037 দুধ খেলে কী কী হয়? আর না খেলে? ছোটবেলা থেকে এর ফিরিস্তি শুনে বড় হয়েছি আমরা। তাই আর বেশি কথা বাড়ালাম না। প্রতি বছর ২৬ নভেম্বর দেশে ন্যাশনাল মিল্ক ডে পালিত হয় দেশে। এই দিনই যে ভারতের মিল্কম্যান ভার্গিস কুরিয়েনের জন্মদিন। জেনে স্বাস্থ্যের কেন এত উপকারী দুধ-

১। দাঁত-গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে। ভিটমিন কে, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ডি দাঁত সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

২। হাড়-দুধের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম শিশুদের হাড়ের গঠনে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের হাড় সুস্থ রাখতে প্রতি দিন দুধ খাওয়া প্রয়োজন। এতে বয়স কালে অস্টিওপরেসিসের সম্ভাবনা এড়ানো যায়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে। তাই বয়স তিরিশ পেরোলই প্রতি দিনের ডায়েটে অবশ্যই যেন দুধ থাকে।

৩। হার্ট- গরুর দুধে পটাশিয়াম থাকার কারণে দুধ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা থাকে আয়ত্তে।

৪। পেশির স্বাস্থ্য- শিশুদের পেশির গঠনে সাহায্য করে দুধ। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও পেশি সচল রেখে স্বাস্থ্য ভাল রাখে দুধ।

৫। ক্যানসার- দেখা গিয়েছে যে সব অঞ্চলে সূর্যের আলো কম পৌঁছয় সে সব অঞ্চলে মানুষ বেশি কোলেরেক্টাল ক্যানসারে আক্রান্ত হয় বেশি। এর কারণ ক্যানসার রোখার অন্যতম উপাদান ভিটামিন ডি। দুধ ভিটামিন ডি-র উত্কৃষ্ট উত্স।

৬। অবসাদ- ভিটামিন ডি সিরোটোনিন হরমোন উত্পাদনে সাহায্য করে। এই হরমোন কমে গেলে মুড অফ হওয়া, খিদে কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

]]>
কাজলের ছোঁয়ায় অপরূপ চোখ https://news17.onlinebangla24.com/?p=7809 Wed, 25 Nov 2015 13:02:09 +0000 http://jamunanewsbd.com/?p=7809 ঢাকা: মুখের না বলা কথাগুলো অনায়াসে বলতে পারে অপরূপ এক জোড়া চোখ। আকর্ষণীয় চাহনী আনতে সে চোখের তুলনা নেই। আর সে কারণে সুন্দরীরা তাদের সাজের সময় চোখে কাজলের ছোঁয়া দিতে একদমই ভুলে যান না। সময়টা শীতকাল হওয়াই চোখে দেয়া কাজলের নকশাও লেপটে যাওয়ার ভয় নেই। তাই অনায়াসে চোখ জোড়া সাজিয়ে নিতে পারেন।

হালকা, ভারি ও মাঝারি সাজে চেহারাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় আর মোহনীয় করে তুলতে কাজল হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা হলো কাজল দেয়ার ঢঙে আপনার চেহারার আদলই বদলে যেতে পারে। আপনার চোখে সাদামাটা সাজ, নাকি জমকালো পার্টির সাজ তা কাউকে বলে দিতে হবে না, একনজর দেখলে যে কেউই বুঝে যাবে।

সাজের আগে অবশ্যই চোখটি ভালো করে পরিস্কার করে নিতে হবে। এবার ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আদ্রতা ঠিক করতে হবে। এখন সিদ্ধান্ত নিন আপনি কোথায় যাচ্ছেন, পরিহিত পোশাকটি কেমন এবং গন্তব্যস্থলের পরিবেশ কেমন। যদি সাধারণ কোনো অনুষ্ঠান হয় তবে হালকা করে চোখের পাপড়ির গোড়ায় কাজলের গাঢ় দাগ দিতে পারেন। পার্টি বা জন্মদিনের অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই পোশাকটাও তেমন হবে। তাই পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চোখের কাজল পরতে হবে। এক্ষেত্রে,

– প্রথমেই মেকআপের বেইজ তৈরি করে নিতে হবে। বেইজ মানে ত্বক পরিষ্কার করে ফাউন্ডেশন, ফেস-পাউডার লাগিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা সৃষ্টি করা।

– এরপর পরিহিত পোশাকের রঙ অনুযায়ী ভ্রুর নিচের অংশে হাইলাইটস দিন। পোশাকের রঙ অনুযায়ী গোল্ডেন রঙের শ্যাডোর দিলে ভালো লাগবে। আপনি যদি ডার্ক রঙের পোশাক পরে থাকেন, তাহলে শ্যাডোর উপর একটু কালচে ভাব আনতে পারেন। সাজের গভীরতা বজায় থাকবে।

– তারপর গাঢ় করে মোটা কাজলের দাগ দিন। চোখের শেষ মাথাটায় একটু লম্বা করে দাগ দিতে হবে। চোখের নিচেও মানানসই দাগ দিন।

– কাজলের ওপর পোশাকের রঙের আইশ্যাডো দিলেও দারুন একটা রঙ আসবে। সবশেষে চোখের পাঁপড়িতে মাসকারা লাগিয়ে দিন।

মোটকথা আপনার রুচির ওপর নির্ভর করবে সাজের ধরণ। বাজারে এখন নানা ব্র্যান্ডের ভিন্ন দামের কাজল পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যেও রয়েছে কাজলের বিভিন্ন ধরণ। সুন্দরীদের কাছে সবচেয়ে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সমাদৃত হল পেনসিল লাইনার কাজল। এ কাজল লাগাতেও সুবিধা, আবার স্থায়িত্বও ভালো। পেনসিল লাইনারের মধ্যে রয়েছে নিয়র, জর্ডানা, জ্যাকলিন, আয়োনি, পারসোনি, লাফেম, মেবিলিন, লরিয়েল, ল্যাকমে, মিস অ্যান্ড মিসেস। এগুলোর দাম পড়বে ৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়াও আছে ম্যাক, শ্যানেল, ক্লিনিক, গার্লিন ইত্যাদি। এগুলোর দাম পড়বে এক হাজার ৯০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

ব্যবহার করতে পারেন লিকুইড লাইনার। ব্রাশের সাহায্যে এটিও ইচ্ছামতো লাইনিং করা যায়। মোটা, সরু বা মাঝারি যেকোনো ভাবেই আপনার চোখকে সাজাতে পারেন। ল্যাকমে, লা ফেম, প্রেস্টিজ, রেভলন, আয়োনি, লা-স্পল্যাশ, জ্যাকলিনগুলো দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।

এছাড়াও কিশোরী থেকে বয়সীরা পর্যন্ত এখন রঙিন লাইনার বেছে নিচ্ছেন। এর ব্যবহারে আলাদা করে আই শ্যাডো লাগানোর চিন্তা থাকে না। তাই ব্যস্ততার ভিড়ে সময়ে বাঁচাতে রঙিন লাইনার বেছে নিতে পারেন। করতে পারা এ ফ্যাশন এখন এত জনপ্রিয়। কিনতে পারেন জর্ডানা, জ্যাকলিন, মিস অ্যান্ড মিসেস, এভার বিউটি ইত্যাদি। এগুলোর দাম পড়বে ৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। তবে সব সময় চোখের যত্নে ভালো মানের লাইনার ব্যবহার করা উচিৎ।

]]>
স্বাদে ভরা মাছের কাটলেট https://news17.onlinebangla24.com/?p=7492 Wed, 18 Nov 2015 10:04:14 +0000 http://jamunanewsbd.com/?p=7492 ঢাকা: মাছ খেতে পছন্দ সবার। তবে কাঁটার ভয়ে কেউ কেউ মাছ এড়িয়ে যেতে চান। সেখানে কাঁটা ছাড়া মাছ দিয়ে যদি মজার কোনো খাবার তৈরি করা হয় তবে তা লুফে নেন সবাই। পুরোদমে মুখরোচক মাছের স্বাদ অথচ কাঁটা বেছে নেয়ার কোনো ঝামেলায় নেই। মজার সস দিয়ে নাস্তা, সাদা ভাত বা পোলাওয়ের সঙ্গে মাছের কাটলেটের জুড়ি নেই। পরিবারের সদস্যদের মন ভরাতে আর অতিথির আপ্যায়নে স্বাদের যোগ করতে শিখে নিতে পারেন মাছের কাটলেট। স্বাদের ভূবনে হারিয়ে যেতে চট করে দেখে নেয়া যাক মাছের কাটলেট বানানোর সহজ পদ্ধতি।

যা যা লাগবে

যেকোনো মাছ ২ কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, ধনে পাতা কুচি আধা কাপ, পাউরুটি ২ পিস, আদা মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, দুধ আধা কাপ, মুড়ির গুঁড়া ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো ও ময়দা আধা কাপ।

যেভাবে করবেন

মাছ আদা ও রসুন বাটা, লবণ, অল্প কাঁচামরিচ এবং পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। এরপর কাঁটা বেছে নিতে হবে। পাউরুটি দুধে ভিজিয়ে মাছে মেশাতে হবে। সঙ্গে পেঁয়াজ, ধনে পাতা, আদা, কাঁচামরিচ কুচি, কর্নফ্লাওয়ার ও মুড়ির গুঁড়া ২ টেবিল চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। ময়দা ১ কাপ পানিতে গুলিয়ে পেস্ট বানিয়ে রাখতে হবে। এবার মাখানো মাছ কাটলেটের মতো বানিয়ে ময়দার পেস্টে চুবিয়ে টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে ১০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এবার নামিয়ে ডিপ ফ্রাই করে গরম গরম পরিবেশন করতে পারেন যেকোনো কিছুর সঙ্গে।

]]>
একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ওষুধ এই কালিজিরা’ – আল হাদিস https://news17.onlinebangla24.com/?p=2301 Mon, 03 Aug 2015 10:18:06 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2301 কালিজিরার যত গুণ
ঢাকা: সঠিক ব্যবহারে সব রোগের চিকিৎসা হওয়া সম্ভব- এমনই খ্যাতি ছড়ানো কালিজিরার। তাই এটাকে খাবার না বলে পথ্য বলাই ভালো। আয়ুর্বেদীয়, ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় কালিজিরার ব্যবহার হয় শ্রদ্ধার সঙ্গে। মশলা হিসাবেও কালিজিরার ব্যাপক ব্যবহার প্রচলিত। রসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘একমাত্র মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ওষুধ এই কালিজিরা’ – আল হাদিস।
সাধারণত আমরা খাবারের সঙ্গে মসলা হিসেবে অথবা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে কালিজিরা খেয়ে থাকি। কিন্তু এভাবে আমাদের স্বাস্থ্য কালিজিরার আসল গুণাবলি থেকে বঞ্চিত হয়। কালিজিরা খাবার হিসেবে গ্রহণের ইতিহাস হাজার বছরের ওপরে। বিজ্ঞানীরা নানা গবেষণায় পেয়েছেন, সরাসরি কালিজিরা নয়, এর তেল আমাদের শরীরের জন্য বেশি উপকারী। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।
কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি। শরীরের রোগ প্রতিরোধে কালিজিরার মতো এত সহজে এত কার্যকর আর কোনো প্রাকৃতিক উপাদান আছে বলে জানা যায়নি। তাই জেনে নেয়া যাক, কালিজিরার তেলের উপকারী গুণ সম্পর্কে-
* কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
* ইনসুলিন রোধ হ্রাস করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
* কাশি ও হাঁপানির উপশম, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগের আশঙ্কা হ্রাস করে।
* চুল পড়া কমাতে ও ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কালিজিরার তেলের তুলনা হয় না।
* মায়ের বুকে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে কালিজিরার তেলের তুলনা হয় না।
* জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু।
* এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যারা মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা উপকারী পথ্য।
* যাদের শরীরে পানি জমা বা হাত-পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই তেল বেশ উপকারী।
* কালিজিরায় থাকা অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ হতে বাধা দেয়।
* মেধার বিকাশের জন্য কালিজিরার তেল কাজ করে দ্বিগুণ হারে।
* দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে। জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।
* কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘকাল।

]]>
সুন্দর ঘুমের জন্য চাই, সুন্দর কিছু নিয়ম https://news17.onlinebangla24.com/?p=2180 Fri, 31 Jul 2015 09:03:55 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2180 বর্তমান জীবনযাত্রায় রাতে ভালো ঘুম বেশ দুর্লভ বস্তু। কাজের চাপ, রাতে ঘুমানোর সময় নিয়ে অনিয়ম ইত্যাদি কারণে পর্যাপ্ত ঘুম হয় না।
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে মানসিক চাপ বেশি হয় এবং হৃদরোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট ভালো ঘুমের জন্য বিছানায় যাওয়ার আগে কিছু বিষয় লক্ষ রাখার পরামর্শ দেয়। ওই বিষয়গুলোই এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল।
ঘুমের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা
প্রতিদিন ঘুমানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেছে নিলে এবং সেই সময় অনুসারে ঘুমানোর অভ্যাস করা গেলে, ঘুম ভালো হয়। প্রতিদিন নিয়ম করে ঘুমালে ইনসমনিয়া দূর করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
সারাদিন কর্মক্ষম থাকা
ব্যায়াম এবং শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন কাজের সঙ্গে জরিত থাকলে রাতে ঘুম ভালো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন তারা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েন। তাই সারাদিন ব্যস্ত সময় কাটালে রাতে ঘুম ভালো হবে।
ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন
চা, কফির মতো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় ভালো ঘুমের অন্তরায়। রাতের খাবারের পরে ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় পান করলে ঘুমে ব্যঘাত ঘটতে পারে। কারণ এতে মস্তিষ্ক স্বক্রিয় থাকে। ফলে ঘুম ভালো হয় না। তাই ভালো ঘুমের জন্য ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন।
ধূমপান পরিহার করুন
সিগারেটে থাকা নিকোটিন ঘুমে বাধা সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ঘুমানোর পরও ক্লান্তিভাব রয়েই যায়, সেটি অধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে হয় না।
ঘুমানোর আগে দুধ পান
ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধ পান করলে ভালো ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
গান শোনা
ঘুমানোর আগে মনে প্রশান্তি জাগাবে এমন গান বা সংগীত শোনা যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে রাতে ঘুমানোর আগে গান শুনলে মস্তিষ্ক এবং পেশি শিথীল হয়, ফলে ঘুমও ভালো হয়।
ঘরে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা
ঘর বেশি ঠাণ্ডা বা বেশি গরম হলে ঘুমে সমস্যা হয়। তাই ফ্যান বা এসি, যাই চলুক না কেনো ঘরের তাপমাত্রা সহনশীল হওয়া দরকার।
আলো নিভিয়ে রাখা
আলো মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে। তাই ঘুমানোর সময় সব আলো নিভিয়ে দেওয়া উচিত। ল্যাপটপ, ফোন, প্যাড ইত্যাদির আলোও ঘুমে ব্যঘাত ঘটায়। তাই ঘুমানোর সময় ইলেকট্রনিক বস্তু দূরে রাখা উচিত। ঘর যত অন্ধকার হবে ঘুমও তত ভালো হবে।
শরীরের উষ্ণতা ঘুমে সহায়ক
ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করলে শরীরের উষ্ণতা কিছুটা বৃদ্ধি পায়। আর এতে ঘুমও ভালো হয়।
নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া
ঘুমাতে যাওয়ার আগেই নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে নেওয়া উচিত। প্রথমে পরের দিনের কাজের একটি তালিকা তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। এরপর দাঁত মাজা বা গোসল করে নিজেকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত করা উচিত। সব শেষে বিছানায় শুয়ে গল্প বই পড়া বা গভীরভাবে শ্বাস নিয়ে কিছু হালকা ব্যয়াম করা যেতে পারে। এতে ঘুম ভালো হয়।
আরামদায়ক বিছানা
ঘুমানোর জন্য আরামদায়ক বিছানা এবং বালিশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিছানা নিজের জন্য আরামদায়ক কিনা সেদিকে লক্ষ রাখা দরকার।

]]>
একজন প্রয়াত রাষ্ট্রপতির জীবন চক্র https://news17.onlinebangla24.com/?p=2046 Tue, 28 Jul 2015 03:16:17 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2046 আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক : মানুষের জীবনে উত্থান-পতন আসে। ধনীর ছেলে ফকির হয়, আর ফকিরের ছেলে রাজা। পৃথিবীর ইতিহাসে ঘাটলে এ রকম হাজারো উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে। এমনই এক ঘটনার জলন্ত সাক্ষী ডা. এ পি জে আবদুল কালাম। মাঝির কুড়েঘর থেকে হয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। বিশ্বের শীর্ষ পদার্থবিজ্ঞানীর পাশে তার নাম উঠেছে অবিসংবাদিত বিজ্ঞানী হিসেবে।

ডা. এ পি জে আবদুল কালাম হয়ে ওঠার গল্প:তামিলনাড়ু রাজ্যের উপকূল সংলগ্ন রামেশ্বারামে ১৯৩১ সালের ১৫ অক্টোবরে দরিদ্র পরিবারে জন্ম তার। বাবা জয়নুল আবেদিন একজন নৌকা চালক (মালিক)। মা আশিয়াম্মা গৃহিনী। অভাব তার পড়াশোনার পথে অনেকবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পড়াশোনার ব্যয় মেটাতে তিনি অনেক ছোট কাজও করেছেন। পত্রিকার হকারিও করেছেন বেশ কিছুদিন।

গণিতশাস্ত্রে আগ্রহী কর্মঠ কালাম বিদ্যালয়ে একজন মধ্যম মানের ছাত্র ছিলেন। রামনাথপুরম সোয়ার্জ ম্যাট্রিকুলেশন বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সমাপন করে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তিরুচিরাপল্লীতে অবস্থিত সেন্ট জোসেফ`স কলেজ থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে বিমান প্রকৌশলবিদ্যায় উচ্চডিগ্রি লাভ করেন। এই প্রতিষ্ঠানে পড়ার সময় তার পঠনপাঠনের অগ্রগতিতে অখুশি ডিন তিনদিনের মধ্যে প্রকল্প শেষ না করলে বৃত্তি বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখালে কালাম নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে তার প্রকল্প সম্পন্ন করেন। আটটি পদের জন্য পরীক্ষায় নবম স্থান লাভ করায় ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যুদ্ধবিমানের চালক হিসেবে তার স্বপ্ন খুব অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়।
এমআইটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর কালাম ভারতের অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাবলিশমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) প্রধান বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। এখানেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তখন ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনে (আইএসআরও) স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন১৯৭০ এর দশকে প্রজেক্ট ডেভিল এবং প্রজেক্ট ভ্যালিয়ান্ট নামে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হাতে নেন তিনি। এই প্রকল্পের অধীনেই ভারত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সক্ষম হয়। ভারতের তৈরি রোহিনি-১ নামের মিসাইলটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করার পর বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি এনে দেয়। ২০০২ সালে ক্ষমতাসীন বিজেপির সমর্থনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত হন। ২০০৭ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে তিনি অন্যতম।ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনে তার অবদান অনেক। ভারতের রকেট ও মিসাইল প্রযুক্তিতে তার অবদান সর্বাগ্রে। ‘অগ্নি’, ‘পৃথ্বি’ এর মতো পরমাণবিক অস্ত্রবাহী মিসাইল প্রযুক্তি পূর্ণতা পেয়েছে তার হাত ধরেই। এজন্য তাকে ‘মিসাইলম্যান অব ইন্ডিয়া’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী কালামের বাইরে একজন অত্যন্ত সংবেদনশীল লেখকও তিনি। তিনি বেশ কিছু প্রণোদনামূলক ও প্রভাবশালী বই লিখেছেন। এর মধ্যে ‘India 2020’ সর্বাধিক পঠিত ও প্রশংসিত। এই বইয়ে ২০২০ সালের মধ্যে সুপারপাওয়ার হতে হলে ভারতকে কী ধরনের পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যেতে হবে সে ব্যাপারে একটি রূপরেখা দিয়েছেন তিনি। তার অন্যান্য বহুল পঠিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘Ignited Minds’, ‘Mission India’, ‘Inspiring Thoughts’, ‘The Luminous Sparks’ ও ‘Wings of Fire’।
২০১১ সালে তিনি তরুণদের নিয়ে ‘What Can I Give Movement’ শীর্ষক দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে লেকচার দিয়ে বেড়িয়েছেন। তিনি চিরকুমার ছিলেন।ইন্দিরা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড তুলে দিচ্ছেন কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী পুরস্কার ও সম্মাননা: ভারতের প্রায় সবকটি বেসামরিক সম্মাননা পেয়েছেন। ‘পদ্মভূষণ’, ‘পদ্মবিভূষণ’ এবং ‘ভারতরত্ন’ সম্মাননা পেয়েছেন। জাতীয় ঐক্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে তাকে ইন্দিরা গান্ধী সম্মাননা দেয়া হয়। পরের বছর ভারত সরকার কালামকে বীর সভাকর সম্মাননা দেয়। ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি তাকে রাজা দ্বিতীয় চার্লস মেডেল দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ২০০৯ সালে তাকে ইন্টারন্যাশনাল ভন কারমান উইংস সম্মাননা দেয়। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রের এএসএমই ফাউন্ডেশন কালামকে হুভার মেডেল দিয়ে সম্মানিত করে। এছাড়া কালাম ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেয়েছেন। তার ৭৯তম জন্মদিনকে জাতিসংঘ বিশ্ব শিক্ষার্থী দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। ২০০৩ এবং ২০০৬ সালে তিনি এমটিভি ইয়ুথ আইকন অব দ্য ইয়ার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।

]]>
নারীত্বের চাহিদা ? https://news17.onlinebangla24.com/?p=2026 Tue, 28 Jul 2015 02:34:11 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2026 লইফস্টাইল: যৌনতার ক্ষেত্রে নারীর কাছে পুরুষাঙ্গের আকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু গবেষণায় একমত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তারা জানাচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে নারী কি চায় পুরুষের কাছে।সুইজারল্যান্ডের এক দল গবেষকের গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘জার্নাল অব সেক্সুয়াল মেডিসিন’-এ। তারা ১০৫ জন নারীর ওপর জরিপ চালান। দেখা গেছে, যৌনতায় তাদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকার সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বিবেচিত হয়েছে।গবেষকরা জানান, জন্মের সময় ছেলেদের ০.৩-০.৫ শতাংশ ত্রুটিপূর্ণ পুরুষাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জন্মের প্রথম বছরের মধ্যে সার্জারির মাধ্যমে তা ভালোও করা যায়।জরিপে অংশ নেওয়া ১৬-৪৫ বছর বয়সী নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক চেহারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক, স্বাভাবিক আকৃতি, স্বাভাবিক অণ্ডকোষই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।জরিপে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যে নারীর বয়স এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা যত বেশি, তার কাছে সঙ্গীর পুরুষাঙ্গের আকার তত কম গুরুত্বপূর্ণ। মূলত অভিজ্ঞতাই তাদের এ সত্য উপলব্ধিতে সাহায্য করেছে।

]]>
ভাল নেই সোহাগপুর বিধবা পল্লীর বীরাঙ্গনারা https://news17.onlinebangla24.com/?p=1968 Sun, 26 Jul 2015 05:26:40 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1968 গতকাল শনিবার শেরপুরের সোহাগপুর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে আলবদর কমান্ডার কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে পাকবাহিনী নির্বিচারে হত্যাকান্ড চালায় শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর গ্রামে।
এ সময় নিহত হন ১৮৭জন। বিধবা হন ৬৪ নারী। বর্তমানে জীবিত ৩২ বিধবার মধ্যে ১৩ জন বীরাঙ্গনা রয়েছেন। এরপর থেকেই ওই গ্রাম বিধবা পল্লী হিসেবে পরিচিত। সোহাগপুরের বিরঙ্গনাদের মধ্যে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও বাকি আটজন এখনও নাম লেখাতে পারেননি। ফলে তারা সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছেন।
আট বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা ও বিধবা এবং শহিদ পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় শহিদ পরিবারের সন্তানরা। কামারুজ্জামানের ফাঁসি হলেও সেদিনের ভয়াবহতার কথা এখনও ভুলতে পারেনি সোহাগপুরের মানুষ। পাক বাহিনীর দালাল কাদের ডাক্তারসহ স্থানীয় রাজাকার আল বদরদেরও বিচারের দাবি জানান বীরাঙ্গনারা।
বীরাঙ্গনা হাফিজা বেওয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধ অইছে ৪৪ বছর অইছে। অহন আমরা হুনতাছি সরকার বীরাঙ্গনা গোরে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিছে। এইডা হুইনা মনডা খুশি হইছে। কামারুজ্জামানের ফাঁসি হইছে আমগড় স্বামীর খুনের বিচার হইছে তা শুইনা আমি কিছু খুশি হইছি।
দুঃখে কষ্টে দিন যাইতাছে। অহন কীভাবে চলবাম,শান্তি মতো চলবার জন্য যে পর্যন্ত বাঁচি সরকার আমগড়ে ব্যবস্থা কইরা দেক। স্থানীয় এক গারো পরিবারে কাজ করেন বিধবা জরিতন বেওয়া।
তিনি বলেন, বিধপা হওনের পরে গারো বাড়িতে কাজ করছি। ক্ষেতের নারা কাটছি। নিজে না খেয়ে পোলা মাইয়ার লাইগা ভাত জোগাড় করছি। আমি অহনা আগের নাহালা চলবার পাইনা, খাটবারও পাইনা। পইড়া গেছিগা অহন সরহার আমার চিহিৎসা করুক।
বীরাঙ্গনা মহিরণ বেওয়া বলেন,এতদিন পেটের ভিতরে রাইখা আগুন তাপাইলাম। অহন পরিচয় প্রকাশ অইয়া যাওয়াতে লোকের কাছে কলংকি অইয়া গেছি। অহন কারো বাসায় কাজ করবার গেলেও কাজে নেয় না। কলংকি কইরা ডাহে। এহন বাদ বাহি জীবন যেন আমরা সুহে থাকবার চাই, কলংকি জীবন মুছন করইরা কারও কাছে যাতে হাত পাতুন না লাগে সেই জন্যে আমরা মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির কার্ড চাই।
জুবেদা বেওয়া বলেন, পাকবাহিনীরা আমগোরে সোহাগপুর গ্রাম ডারে চিনতো না। কিন্তু আমগোর গ্রামে কাদের ডাক্তার পাক বাহিনীরে পথ দেহাইয়া নিয়াইছে। কামারুজ্জামালের মতো কাদের ডাক্তারের ফাঁসি অইলে আরও খুশি অইতাম।
কামারুজ্জামানের ফাঁসি অইছে খুশি হইছি। যে কাদের ডাক্তার পাক বাহিনীরে পথ দেহাইছে তার ফাঁসি অইলে আরও খুশি অমু, বলেন বিরাঙ্গনাবা অজুফা বেওয়া।
নালিতাবাড়ী শহিদ পরিবার কল্যাণ সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন সোহাগপুর বিধবা পল্লীতে সরকারর পক্ষ থেকে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের দাবি করেন। তিনি বলেন, সোহাগপুর বিধবা পল্লীর ব্যক্তি মালিকানাধীন যে স্মৃতি ফলক ও গোলঘর রয়েছে সে জায়গায় সরকারের তরফ থেকে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হউক। তবে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে।
নালিতাবাড়ী উপজেলা গণজাগরণ মঞ্চের সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, পাঁচজন বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও আটজন এখনও বাকি আছেন। এ কারণে তারা সরকারি সব সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সরকার যেন তাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। শেরপুরের জেলা প্রশাসক এএম পারভেজ রহিম বলেন, ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় ছিল। এর মধ্যে আবেদন করে সোহাগপুর বিধবা পল্লীর পাঁচজন বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার সনদ পেয়েছে। বর্তমানে অনলাইনে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার আবেদন করার সুযোগ নেই। তাই সরাসরি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে আবেদন করতে হবে তাদের। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, বিধবা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনের বিষয়টি চলৎ রয়েছে। খাস জমিসহ সরকারের অনুদান ও অন্যান্য উৎস থেকে তাদেরকে পর্যায়ক্রমে সাহায্য সহযোগিতা করা হবে। নতুন করে সোহাগপুরে আর কোনো স্মৃতিসৌধ করার পরিকল্পনা আপতত নেই বলে জানান তিনি।

]]>
ঈদে ত্বকের পরিচর্যা https://news17.onlinebangla24.com/?p=1666 Thu, 16 Jul 2015 21:15:47 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1666 ঈদের আগে এ ক’টা দিনই নিজের ত্বকের হাল ফেরানোর সময়। উজ্জ্বল, কোমল ও মসৃণ ত্বকই জানবেন আপনার আসল সম্পদ। ত্বক বলতে কেবল মুখের ত্বকের যত্ন নিলেই হবে না। সেই সঙ্গে হাত, গা, ঘাড়, পিঠ অর্থাৎ শরীরের খোলা অংশেরও যত্ন প্রয়োজন। প্রত্যেকেই জানেন, ত্বকের যত্নের প্রধান তিনটি ধাপ হচ্ছে- ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়শ্চারাইজিং। ক্লিনজিং-টোনিং-ময়শ্চারাইজিং নিয়মিত রুটিনের অঙ্গ করে নিলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখাটা খুব একটা কঠিন ব্যাপার হবে না। তবে এর যে দুটি অত্যাবশ্যকীয় কাজ করা উচিত তা হল স্ক্রাবিং ও সানস্ক্রিনের ব্যবহার।
ক্লিনজিং
কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ম্যাসাজ করলে ভালো ক্লিনজিং হয়। মুখ, গলা, ঘাড় ও শরীরের অন্যান্য অনাবৃত অংশও একইভাবে পরিষ্কার করা যায়। পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। অথবা ভালো কোম্পানির ফেসওয়াস বা ক্লেনজিং মিল্ক ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন দু’বার সকাল ও রাতে ক্লিনজিং করা উচিত।
টোনিং
ত্বক পরিষ্কারের পরে টোনিংয়ের পালা। শুষ্ক ত্বকে কমলালেবুর রস ছেঁকে টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তৈলাক্ত ও মিশ্রত্বকে পুদিনা পাতা ফুটিয়ে ফ্রেশনার তৈরি করে ব্যবহার করা যায়। স্বাভাবিক ত্বকে শসা কেটে তার রস টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
স্ক্রাবিং
দুধে ভুসিসহ আটাগুলে তার সঙ্গে এক চা চামচ চিনি ও এক চা চামচ লেবুর রস সারা শরীরে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। স্ত্রাবার লাগাতে হবে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়ে এবং স্ক্রাবার অল্প শুকালে অ্যান্টি-ব্লকওয়াইজ ম্যাসাজ করে নিন পাঁচ মিনিট।
তৈলাক্ত ত্বকের প্যাক
মুলতানি মাটির সঙ্গে আঙ্গুরের রস, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ধ”য়ে ফেলুন।
শুষ্ক ত্বকের প্যাক
কাঠ বাদাম সারা রাত ভিজিয়ে রেখে পেস্ট, মধু ও ঘন দুধ দিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে প্যাকটা লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের প্যাক
দু’টুকরা আপেল পেস্ট, কমলালেবুর রস, দই, লেবুর রস, একটি পাকা কলা মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখ, গলা, ঘাড়ে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
গলা ও ঘাড়ের প্যাক
অল্প দুধে মসুর ডাল ভিজিয়ে তা মিহি করে বেটে নেবেন। এর সঙ্গে একটা পাকা কলা, এক চা চামচ মাখন, এক চা চামচ মিল্ক পাউডার, এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করে নেবেন। গোসলের ২০ মিনিট আগে লাগিয়ে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলবেন।
পিঠের ত্বকে কালো দাগের প্যাক
এক চা চামচ কাঠ বাদাম গুঁড়া, আধা চা চামচ মধু, আধ চামচ সাদা চন্দন, ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে সব পিঠে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে গোসল করে নিন।
চুলের প্যাক
সারা রাত ভিজিয়ে রেখে আমলকী এক কাপ, মেথিগুঁড়া ১/২ কাপ মিশিয়ে মাথায় ৩০ মিনিট রেখে বেশি পানি ঢেকে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া লোহার পাত্রে রিঠাকে সারা রাত ভিজিয়ে পরের দিন রিঠা চটকে মাথায় ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

]]>