themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131অনেকেই জানেন এই মাসটা হলো নো শেভ নভেম্বর। সবসময় ক্লিন শেভড থাকেন এমন মানুষও এই মাসে দাড়ি রাখছেন এবং কিছু টাকা দান করছেন পুরুষের ক্যান্সারের গবেষণায়। কারণ যেটাই হোক, আপনি যদি দাড়িটাকে বাড়তে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে দাড়ির যত্ন নেবার এই টুকিটাকিগুলো জেনে রাখা দরকার আপনারও।
১) চুলকানি সহ্য করুন। দাড়ি গজানোর প্রথম দিকে মুখ খুব চুলকাবে। কিন্তু দাড়ি গজানোর জন্য এটুকু আপনাকে সহ্য করে নিতেই হবে।
২) দাড়ি গজানোর জন্য বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। দাড়ির দৈর্ঘ্য কমপক্ষে এক ইঞ্চি হবার আগ পর্যন্ত এটাকে ছাঁটবেন না।
৩) আপনি যদি দেখেন শেভিং বন্ধ করার পর ২-৩ মাস হয়ে গেছে অথচ এখনো আপনার ঠিকমতো দাড়ি গজাচ্ছে না, তাহলে হাল ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সবারই ভালোভাবে দাড়ি গজাবে না, এটাই স্বাভাবিক। ক্লিন শেভ করে ফেলুন।
৪) দাড়ি ছাঁটুন সঠিক উপায়ে। সেলুনে গিয়ে করতে পারেন। সাহস থাকলে নিজেও ছাঁটতে পারেন, তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরী। তবে আপনার দাড়ি যতো বড় বা যতো ছোটই হোক না কেন, প্রতি দুই মাসে একবার ছাঁটা ভালো।
৫) দাড়ি পরিষ্কার রাখুন। তারমানে এই নয় যে ঘাম পরিষ্কার করছেন যে সাবান দিয়ে সেটাই ঘষে নেবেন দাড়িতে। চুলের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সপ্তাহে ২-৩বার শ্যাম্পু করুন আপনার দাড়িতে। শুধু তাই না, কন্ডিশনারও দিতে পারেন।
৬) দাড়িতে তেল দিন। শুনে অনেকেই আমার দিকে পচা ডিম ছুঁড়ে মারার প্রস্তুতি নিতে পারেন। কিন্তু পশ্চিমা দেশে দাড়িকে স্টাইলিশ এবং সুস্থ রাখতে অনেকেই বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত “বিয়ার্ড অয়েল” ব্যবহার করে থাকেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিয়ার্ড অয়েল দেখতে পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে নাও পাওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই তৈরি করে নিতে পারে দারুণ সুগন্ধি একটা বিয়ার্ড অয়েল। আমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেলও দিতে পারেন। স্টাইলিং এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন জেল এবং ওয়াক্স। আর হ্যাঁ, দাড়ি নিয়মিত আঁচড়ে নিতেও ভুলবেন না।
৭) দাড়িকে সুস্থ রাখুন খাবারের মাধ্যমে। এমন কোনো খাবার নেই যেটা দাড়ির জন্য বিশেষভাবে ভালো। তবে ব্যালান্সড ডায়েট সব ক্ষেত্রেই ভালো। আর চুলের জন্য যেসব খাবার ভালো সেগুলোও খেতে পারেন। খাবার সময়ে থাকুন সাবধান। খাওয়া শেষ হবার পর দাড়ি থেকে ভালো করে মুছে নিন খাবারের গুঁড়ো এবং উচ্ছিষ্ট।
]]>১। দাঁত-গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে। ভিটমিন কে, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ডি দাঁত সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
২। হাড়-দুধের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম শিশুদের হাড়ের গঠনে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের হাড় সুস্থ রাখতে প্রতি দিন দুধ খাওয়া প্রয়োজন। এতে বয়স কালে অস্টিওপরেসিসের সম্ভাবনা এড়ানো যায়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে। তাই বয়স তিরিশ পেরোলই প্রতি দিনের ডায়েটে অবশ্যই যেন দুধ থাকে।
৩। হার্ট- গরুর দুধে পটাশিয়াম থাকার কারণে দুধ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা থাকে আয়ত্তে।
৪। পেশির স্বাস্থ্য- শিশুদের পেশির গঠনে সাহায্য করে দুধ। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও পেশি সচল রেখে স্বাস্থ্য ভাল রাখে দুধ।
৫। ক্যানসার- দেখা গিয়েছে যে সব অঞ্চলে সূর্যের আলো কম পৌঁছয় সে সব অঞ্চলে মানুষ বেশি কোলেরেক্টাল ক্যানসারে আক্রান্ত হয় বেশি। এর কারণ ক্যানসার রোখার অন্যতম উপাদান ভিটামিন ডি। দুধ ভিটামিন ডি-র উত্কৃষ্ট উত্স।
৬। অবসাদ- ভিটামিন ডি সিরোটোনিন হরমোন উত্পাদনে সাহায্য করে। এই হরমোন কমে গেলে মুড অফ হওয়া, খিদে কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
]]>হালকা, ভারি ও মাঝারি সাজে চেহারাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় আর মোহনীয় করে তুলতে কাজল হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা হলো কাজল দেয়ার ঢঙে আপনার চেহারার আদলই বদলে যেতে পারে। আপনার চোখে সাদামাটা সাজ, নাকি জমকালো পার্টির সাজ তা কাউকে বলে দিতে হবে না, একনজর দেখলে যে কেউই বুঝে যাবে।
সাজের আগে অবশ্যই চোখটি ভালো করে পরিস্কার করে নিতে হবে। এবার ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আদ্রতা ঠিক করতে হবে। এখন সিদ্ধান্ত নিন আপনি কোথায় যাচ্ছেন, পরিহিত পোশাকটি কেমন এবং গন্তব্যস্থলের পরিবেশ কেমন। যদি সাধারণ কোনো অনুষ্ঠান হয় তবে হালকা করে চোখের পাপড়ির গোড়ায় কাজলের গাঢ় দাগ দিতে পারেন। পার্টি বা জন্মদিনের অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই পোশাকটাও তেমন হবে। তাই পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চোখের কাজল পরতে হবে। এক্ষেত্রে,
– প্রথমেই মেকআপের বেইজ তৈরি করে নিতে হবে। বেইজ মানে ত্বক পরিষ্কার করে ফাউন্ডেশন, ফেস-পাউডার লাগিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা সৃষ্টি করা।
– এরপর পরিহিত পোশাকের রঙ অনুযায়ী ভ্রুর নিচের অংশে হাইলাইটস দিন। পোশাকের রঙ অনুযায়ী গোল্ডেন রঙের শ্যাডোর দিলে ভালো লাগবে। আপনি যদি ডার্ক রঙের পোশাক পরে থাকেন, তাহলে শ্যাডোর উপর একটু কালচে ভাব আনতে পারেন। সাজের গভীরতা বজায় থাকবে।
– তারপর গাঢ় করে মোটা কাজলের দাগ দিন। চোখের শেষ মাথাটায় একটু লম্বা করে দাগ দিতে হবে। চোখের নিচেও মানানসই দাগ দিন।
– কাজলের ওপর পোশাকের রঙের আইশ্যাডো দিলেও দারুন একটা রঙ আসবে। সবশেষে চোখের পাঁপড়িতে মাসকারা লাগিয়ে দিন।
মোটকথা আপনার রুচির ওপর নির্ভর করবে সাজের ধরণ। বাজারে এখন নানা ব্র্যান্ডের ভিন্ন দামের কাজল পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যেও রয়েছে কাজলের বিভিন্ন ধরণ। সুন্দরীদের কাছে সবচেয়ে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সমাদৃত হল পেনসিল লাইনার কাজল। এ কাজল লাগাতেও সুবিধা, আবার স্থায়িত্বও ভালো। পেনসিল লাইনারের মধ্যে রয়েছে নিয়র, জর্ডানা, জ্যাকলিন, আয়োনি, পারসোনি, লাফেম, মেবিলিন, লরিয়েল, ল্যাকমে, মিস অ্যান্ড মিসেস। এগুলোর দাম পড়বে ৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়াও আছে ম্যাক, শ্যানেল, ক্লিনিক, গার্লিন ইত্যাদি। এগুলোর দাম পড়বে এক হাজার ৯০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।
ব্যবহার করতে পারেন লিকুইড লাইনার। ব্রাশের সাহায্যে এটিও ইচ্ছামতো লাইনিং করা যায়। মোটা, সরু বা মাঝারি যেকোনো ভাবেই আপনার চোখকে সাজাতে পারেন। ল্যাকমে, লা ফেম, প্রেস্টিজ, রেভলন, আয়োনি, লা-স্পল্যাশ, জ্যাকলিনগুলো দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।
এছাড়াও কিশোরী থেকে বয়সীরা পর্যন্ত এখন রঙিন লাইনার বেছে নিচ্ছেন। এর ব্যবহারে আলাদা করে আই শ্যাডো লাগানোর চিন্তা থাকে না। তাই ব্যস্ততার ভিড়ে সময়ে বাঁচাতে রঙিন লাইনার বেছে নিতে পারেন। করতে পারা এ ফ্যাশন এখন এত জনপ্রিয়। কিনতে পারেন জর্ডানা, জ্যাকলিন, মিস অ্যান্ড মিসেস, এভার বিউটি ইত্যাদি। এগুলোর দাম পড়বে ৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। তবে সব সময় চোখের যত্নে ভালো মানের লাইনার ব্যবহার করা উচিৎ।
]]>যা যা লাগবে
যেকোনো মাছ ২ কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, ধনে পাতা কুচি আধা কাপ, পাউরুটি ২ পিস, আদা মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, দুধ আধা কাপ, মুড়ির গুঁড়া ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো ও ময়দা আধা কাপ।
যেভাবে করবেন
মাছ আদা ও রসুন বাটা, লবণ, অল্প কাঁচামরিচ এবং পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। এরপর কাঁটা বেছে নিতে হবে। পাউরুটি দুধে ভিজিয়ে মাছে মেশাতে হবে। সঙ্গে পেঁয়াজ, ধনে পাতা, আদা, কাঁচামরিচ কুচি, কর্নফ্লাওয়ার ও মুড়ির গুঁড়া ২ টেবিল চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। ময়দা ১ কাপ পানিতে গুলিয়ে পেস্ট বানিয়ে রাখতে হবে। এবার মাখানো মাছ কাটলেটের মতো বানিয়ে ময়দার পেস্টে চুবিয়ে টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে ১০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। এবার নামিয়ে ডিপ ফ্রাই করে গরম গরম পরিবেশন করতে পারেন যেকোনো কিছুর সঙ্গে।
]]>ডা. এ পি জে আবদুল কালাম হয়ে ওঠার গল্প:তামিলনাড়ু রাজ্যের উপকূল সংলগ্ন রামেশ্বারামে ১৯৩১ সালের ১৫ অক্টোবরে দরিদ্র পরিবারে জন্ম তার। বাবা জয়নুল আবেদিন একজন নৌকা চালক (মালিক)। মা আশিয়াম্মা গৃহিনী। অভাব তার পড়াশোনার পথে অনেকবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পড়াশোনার ব্যয় মেটাতে তিনি অনেক ছোট কাজও করেছেন। পত্রিকার হকারিও করেছেন বেশ কিছুদিন।
গণিতশাস্ত্রে আগ্রহী কর্মঠ কালাম বিদ্যালয়ে একজন মধ্যম মানের ছাত্র ছিলেন। রামনাথপুরম সোয়ার্জ ম্যাট্রিকুলেশন বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সমাপন করে ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তিরুচিরাপল্লীতে অবস্থিত সেন্ট জোসেফ`স কলেজ থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে বিমান প্রকৌশলবিদ্যায় উচ্চডিগ্রি লাভ করেন। এই প্রতিষ্ঠানে পড়ার সময় তার পঠনপাঠনের অগ্রগতিতে অখুশি ডিন তিনদিনের মধ্যে প্রকল্প শেষ না করলে বৃত্তি বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখালে কালাম নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে তার প্রকল্প সম্পন্ন করেন। আটটি পদের জন্য পরীক্ষায় নবম স্থান লাভ করায় ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যুদ্ধবিমানের চালক হিসেবে তার স্বপ্ন খুব অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়।
এমআইটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর কালাম ভারতের অ্যারোনটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাবলিশমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) প্রধান বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। এখানেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তখন ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনে (আইএসআরও) স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন১৯৭০ এর দশকে প্রজেক্ট ডেভিল এবং প্রজেক্ট ভ্যালিয়ান্ট নামে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হাতে নেন তিনি। এই প্রকল্পের অধীনেই ভারত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সক্ষম হয়। ভারতের তৈরি রোহিনি-১ নামের মিসাইলটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করার পর বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি এনে দেয়। ২০০২ সালে ক্ষমতাসীন বিজেপির সমর্থনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত হন। ২০০৭ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে তিনি অন্যতম।ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনে তার অবদান অনেক। ভারতের রকেট ও মিসাইল প্রযুক্তিতে তার অবদান সর্বাগ্রে। ‘অগ্নি’, ‘পৃথ্বি’ এর মতো পরমাণবিক অস্ত্রবাহী মিসাইল প্রযুক্তি পূর্ণতা পেয়েছে তার হাত ধরেই। এজন্য তাকে ‘মিসাইলম্যান অব ইন্ডিয়া’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী কালামের বাইরে একজন অত্যন্ত সংবেদনশীল লেখকও তিনি। তিনি বেশ কিছু প্রণোদনামূলক ও প্রভাবশালী বই লিখেছেন। এর মধ্যে ‘India 2020’ সর্বাধিক পঠিত ও প্রশংসিত। এই বইয়ে ২০২০ সালের মধ্যে সুপারপাওয়ার হতে হলে ভারতকে কী ধরনের পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যেতে হবে সে ব্যাপারে একটি রূপরেখা দিয়েছেন তিনি। তার অন্যান্য বহুল পঠিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘Ignited Minds’, ‘Mission India’, ‘Inspiring Thoughts’, ‘The Luminous Sparks’ ও ‘Wings of Fire’।
২০১১ সালে তিনি তরুণদের নিয়ে ‘What Can I Give Movement’ শীর্ষক দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে লেকচার দিয়ে বেড়িয়েছেন। তিনি চিরকুমার ছিলেন।ইন্দিরা গান্ধী অ্যাওয়ার্ড তুলে দিচ্ছেন কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী পুরস্কার ও সম্মাননা: ভারতের প্রায় সবকটি বেসামরিক সম্মাননা পেয়েছেন। ‘পদ্মভূষণ’, ‘পদ্মবিভূষণ’ এবং ‘ভারতরত্ন’ সম্মাননা পেয়েছেন। জাতীয় ঐক্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে তাকে ইন্দিরা গান্ধী সম্মাননা দেয়া হয়। পরের বছর ভারত সরকার কালামকে বীর সভাকর সম্মাননা দেয়। ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি তাকে রাজা দ্বিতীয় চার্লস মেডেল দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ২০০৯ সালে তাকে ইন্টারন্যাশনাল ভন কারমান উইংস সম্মাননা দেয়। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রের এএসএমই ফাউন্ডেশন কালামকে হুভার মেডেল দিয়ে সম্মানিত করে। এছাড়া কালাম ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেয়েছেন। তার ৭৯তম জন্মদিনকে জাতিসংঘ বিশ্ব শিক্ষার্থী দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। ২০০৩ এবং ২০০৬ সালে তিনি এমটিভি ইয়ুথ আইকন অব দ্য ইয়ার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।
]]>