themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131
গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন , মাওলানা শাহীনুর রহমান (৩৫), আবু তাহের মিস্ত্রী (৫৫) ও আবতাব হোসেন(৪০) । ঘটনার পর পরই আহতদের মুসল্লিরা উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাপাতালে ভর্তি করে দেয়।
খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে রয়েছেন।
বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান হাবীব জানান, মাগরিবের নামাজের পর ৪/৫জন দুর্বৃত্ত মুছুল্লিদের দিকে গুলি ছুঁড়ে। এতে ৪ জন আহত হয়। আহত তিনজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাপাতালে নিয়ে আাসার পথে একজন মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে পয়েন্ট টু বোরের ৭ রাউন্ড গুলির খোশা উদ্ধর করেছে।
]]>বুধবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএইচ মো. নুরুল হুদা জায়গীরদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত ২২ নভেম্বর এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন পিনাকল সোর্সিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াস উদ্দিন খান।
বুধবার আদালতে পিনাকলের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিমকোর্টে বারের সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জোনরেল বিশ্বজিৎ রায়।
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আইন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, র্যাবের মহাপরিচালকসহ মোট সাতজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।
আবেদনে বলা হয়, গত ২৬ অক্টোবর পিনাকল সোসিং লিমিটেড নামক ফুড সাপ্লিমেন্ট কোম্পানির প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে অনিয়মের অভিযোগে জরিমানা ও তিনজন কর্মকর্তাকে সাজা প্রদান করা হয়। এতে আরো বলা হয়, কোম্পানির কেউ দোষ স্বীকার না করা সত্ত্বেও তাদের দোষ স্বীকার করিয়ে জরিমানা ও সাজা দেয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে এ রিট আবেদনটি দায়ের করা হলে শুনানি শেষে বুধবার আদালত এ আদেশ দেয়।
]]>]]>
শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।
এরা দু’জনেই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন বলে আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন এবং সে আবেদন নাকচও করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে প্রাণভিক্ষা চাননি- সর্বশেষ সাক্ষাতে পরিবারের কাছে এটাই বলেছেন তারা।
ফাঁসি কার্যকরের পর নিয়মিত আনুষ্ঠানিকতা সেরে তাদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে। পুলিশ ও র্যাবের বেশ কয়েকটি গাড়ি নিরাপত্তার জন্য মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স দুটির সঙ্গে পাঠানো হবে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে যথাক্রমে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের রায় কার্যকর করা হলো।
এর আগে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তার আগে কারাগারে যান আইজি (প্রিজন) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জল্লাদ
সাত জন জল্লাদ তাদের ফাঁসি কার্যকর করেছেন। এরা হলেন- ইকবাল, মাসুদ, আবুল, মোক্তার, রাজু, শাহজাহান ও হযরত। এসব জল্লাদ বিভিন্ন সময় ফাঁসি আসামিদের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করেন। এদের মধ্যে শাহজাহান ও রাজু যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে অংশ নিয়েছিলেন।
অ্যাম্বুলেন্স
রাত ১২টা ৩১ মিনিটে লাশ বহন করে এমন চারটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স কারাগারের সামনে এনে রাখা হয়। ১২টা ৩৮ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সগুলো কারাগারে প্রবেশ করে।
স্বজনদের সাক্ষাৎ
সর্বশেষ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে শেষ দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন তার স্বজনেরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর তারা কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। স্ত্রী-পুত্র-কন্যাসহ ১৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে আলী আহসান মুজাহিদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে কারাগারে প্রবেশ করেন স্বজনরা। তারা ঘণ্টা পর বের হন। স্ত্রী ও ছেলেসহ ৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।
]]>থানা সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে এসআই মিজানুর রহমান ও এসআই ইজার আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ অভিযান চালান। এতে রাম ভদ্র গ্রামের আঃ মজিদ মিয়ার ছেলে আঃ হামিদ কে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত জামায়াত কর্মির বিরুদ্ধে একাধিক নাকশতা মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
]]>সংবিধানের ৪৯ পরিচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে-কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে-কোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।’
মানবতাবিরোধী অপরাধে বেশ কয়েকটি রায় হওয়ার পর সংবিধানের এ পরিচ্ছেদ সংশোধনের দাবিও ওঠে। অনেকেই দাবি করেছিলেন, সংবিধানের এই পরিচ্ছেদের কারণে কোনো যুদ্ধাপরাধী ক্ষমা না পান সেজন্য এ আইন সংশোধন করতে হবে। অবশ্য পরে তা করা হয়নি। তবে দণ্ডপ্রাপ্তরা ক্ষমা প্রার্থনা করবেন কি না তা তাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের রায় দেন। বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হচ্ছেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
২০১৩ সালের ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মুজাহিদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দিয়েছিলেন। ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে মুজাহিদের আইনজীবীরা সর্বোচ্চ আদালতে গেলে সর্বোচ্চ আদালতও ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রাখেন। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাতটির মধ্যে পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
অন্যদিকে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ২৩টি অভিযোগ দাখিল করেছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। এর মধ্যে নয়টি অভিযোগ প্রমাণিত হয় ট্রাইব্যুনালে। প্রমাণিত অভিযোগগুলোর মধ্যে ৩, ৫, ৬ ও ৮ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। বাকি পাঁচটি অভিযোগের ২, ৪ ও ৭ নম্বর অভিযোগে ২০ বছর করে ৬০ বছর এবং দুটি অভিযোগে পাঁচ বছর করে ১০ বছরসহ সর্বমোট ৭০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাকার বিরুদ্ধে অন্য ১৪টি অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এসব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছয়টি অভিযোগের বিষয়ে প্রসিকিউশন কোনো সাক্ষ্য হাজির করতে পারেনি।
৩০ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর দণ্ড থেকে বাঁচতে সাকা-মুজাহিদের সামনে খোলা ছিল রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনের পথ। ওইদিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে মুজাহিদের মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ। এরপর দুজনের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিই একসঙ্গে যায় ট্রাইব্যুনালে। এরপর ১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল মৃত্যু পরোয়ানা জারি করলে তা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেয়া হয়।
নিয়ম অনুসারে সে থেকে নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যেই রিভিউ আবেদন করেন মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরী। এ রিভিউ আবেদনও খারিজ করে দিলেন আপিল বিভাগ। এখন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে দু’জনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোনো বাধা থাকবে না।
]]>আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩ থেকে উপসচিব (প্রশাসন) বিকাশ কুমার সাহা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গতকাল মঙ্গলবার জারি করা হয়েছে। পদোন্নতি প্রাপ্তদের ২০ আগস্টের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
]]>