Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php:6131) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
খুলনা বিভাগ – news17.onlinebangla24.com https://news17.onlinebangla24.com Sun, 02 Aug 2015 17:14:49 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.10 বাগেরহাটে জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত https://news17.onlinebangla24.com/?p=2265 Sun, 02 Aug 2015 17:14:49 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2265 বাগেরহাট সাংবাদদাতা : বাগেরহাটে নদীতে পূর্ণিমার জোয়ারের অস¦াভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন স্থানে বেড়ি বাঁধ উপচে ও ভেঙে নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে নদী তীরবর্তি হাট-বাজার, মিল কল-কারখানা, মাছের ঘের, পুকুর, ফসলি জমিসহ কয়েকটি গ্রামের সহ¯্রাধিক ঘর-বাড়ি।
এলাকাবাসি জানায়, বাগেরহাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দৈবজ্ঞহাটি ও নাজিরপুর প্রকল্পের বেড়ি বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে ঘর-বাড়ি এবং ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলার যাত্রাপুুর বাজার এবং সংলগ্ন কয়েকটি গ্রামের বাঁধ উপচে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। ফলে, জলমগ্ন ওই সকল এলাকার সহ¯্রাধিক পরিবার এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম জানান, রোববার দুপুরে জোয়ারের পানির চাপে ভৈরব নদী তীরবর্তি বেড়ি বাঁধ ভেঙে বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কোড়ামারা মধ্যপাড়া এলাকার কয়েশ’ ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। দ্রুত বেড়ি বাঁধটি সংঙ্কারের দাবি জানান তিনি।
মোরেলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ গ্রামের ফেরদৌস মুন্সি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৈবজ্ঞহাটি প্রকল্পের নির্মানাধীণ বেড়ি বাঁধ ভেঙে পঞ্চকরণ বাজার ও গ্রামের দুই – তিন শ’ ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবারে রান্না-বান্না বন্ধ হয়ে গেছে।
এ সব এলাকার ফসলি জমি, মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
যাত্রাপুর বাজারে মুদি দোকানি মো. জামাল হোসেন বলেন, হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া জোয়ারের পানিতে মালপত্র সরিয়ে নেয়ার আগেই দোকানে থাকা সব কিছু তলিয়ে গেছে। বাজারের অধিকাংশ দোকানীরই একই অবস্থা বলে জানান তিনি।
যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন বলেন, ভৈরব নদীতে জোয়ারের পানি অতিরিক্ত বৃদ্ধির ফলে বেড়ি বাঁধ উপচে সমৃদ্ধি যাত্রাপুর বাজার প্লাবিত হয়েছে। পানির কারণে বাজারের দোকান পাট, মিল কল-কারখানা, খাদ্য গুদাম তলিয়ে গেছে।
পানি বন্দি হয়ে পড়েছে ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের শতাধিক বসত বাড়ি। মাছের ঘের, পুকুর, ফসলি জমিসহ সব কিছু তলিয়ে গেছে।
বাগেরহাট পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইনদ্দিন বলেন, পূর্ণিমার জোয়ারের পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার সকল নদ-নদীর পানি দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ঝুঁকি পূর্ণ ও ভেঙে যাওয়া বাঁধ গুলোর মেরামত কাজ চলছে।

]]>
শরণখোলায় আমন চাষ ব্যাহত চাষী দিশেহারা https://news17.onlinebangla24.com/?p=1923 Fri, 24 Jul 2015 16:11:21 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1923 শরণখোলা, বাগেরহাট সংবাদদাতা ঃ বাগেরহাটের শরণখোলায় এবছর আমন চাষে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। লাগাতার বৃষ্টিপাতের ফলে চাষের জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় জমি চাষাবাদ শুরু করতে পারছেন না কৃষকরা। উপজেলার অসংখ্য চাষী এ পর্যন্ত আমন মৌসুমের বীজতলা তৈরি করতে পারেনি। দ্রুত আবাদি জমির পানি নিষ্কাশন করা না হলে এবছর উপজলার সর্বত্রই আমনের চারা সংকট প্রকট আকার ধারণ করবে। এ কারণে আমন চাষও ব্যাহত হবে মারাত্মকভাবে। এর ফলে, দেখা দিতে পারে চরম খাদ্য সংকট। এমন আশঙ্কায় উপজেলার প্রায় ১২ হাজার চাষী এখন দিশে হারা হয়ে পড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এপর্যন্ত চাষীরা দুই দফা বীজতলা তৈরীর চেষ্টা করে অনেকে ব্যর্থ হয়েছেন। মাস খানের আগে প্রথম ধাপে চাষীরা জমিতে অঙ্কুরিত বীজ ছিটানোর পর পরই বৃষ্টি শুরু হয়। দীর্ঘদিন পানির নিচে থাকায় সেই বীজ অধিকাংশ পঁচে নষ্ট হয়ে যায়। পরে একটু খরা দিলে আবার আশায় বুক বেধে তারা জমিতে বীজ ফেলেন। এভাবে দুই দফাই তাদের চেষ্টা ব্যাহত হয়। এখন কোনো চাষীর ঘরেই আর অবশিষ্ট বীজ ধান নেই। সরজমিন ঘুরে জলাবদ্ধতার এমন ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। জমিতে কোথাও কোমর সমান কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে আছে। থৈ থৈ করছে মাঠের পর মাঠ। কৃষকের মুখে হাসি নেই। অনেকে বীজ জাগ দিয়ে রেখেছেন কিন্তু জমিতে ফেলতে পারছেন না। বীজের অঙ্কুর নষ্ট হয়ে অকেজো হয়ে গেছে।
জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের শরণখোলা অংশের বেড়ি বাঁধে ছোটবড়ো ২০টি স্লুইজ গেট রয়েছে। এই গেটগুলো রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে দীর্ঘদিন অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তা ছাড়া উপজেলা সদর রায়েন্দা বান্দাঘাটা এলাকার প্রধান গেটটি-ই এখন কৃষকদের মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই গেটের চারটি কপাটের দুটিই নষ্ট। তা ছাড়া পাউবোর কোনো কর্মী এখানে নিয়োজিত না থাকায় স্থানীয়রা তাদের ইচ্ছেমতো গেট থেকে পানি উঠানামা করিয়ে সেখানে জাল পেতে মাছ ধরে থাকে। ফলে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যা কৃষকদের কোনো কাজেই আসেনা।
পূর্ব রাজাপু গ্রামের চাষী মাস্টার হাফিজুর রহমান গতকাল শুক্রবার জানায়, তাদের এলাকার চার ভাগের তিন ভাগ বীজ নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে বীজ ফেলতে না পাড়লে জমি রোপণ করা যাবে না। আবারও বীজ ধান ক্রয় করে ফালানোর প্রস্ততি নিয়েছেন। দু-চারদিনের মধ্যে জমির পানি না সরলে বীজতলা তৈরীর সময়ও থাকবেনা। কদমতলা গ্রামের চাষী জামল তালুকদার, ইয়াকুব তালুকদার, রিয়াদুল হাওলাদারর, সোহরাব আকন, করিম হাওলাদার ও নান্না মিয়া সহ অনেকে জানায়, পানি নিস্কাশনের একমাত্র বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী স্লইজ গেটটি খামখেয়ালি ভাবে হাকিম শিকদার ও তার পুত্ররা বন্ধ করে রাখেন। যার কারণে পানি নামতে পারেন না। চাষীরা গেটটি নিয়মিত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে। খাদা গ্রামের ফুল মিয়া আকন ও আ. কাদের আকন মাঠে চারা তৈরি করতে না পেরে তাদের বসত বাড়ীর সবজী ক্ষেত নষ্ট করে সেখানে বীজতলা তৈরি করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকার বলেন, চলতি আমন মৌসুমে ৬৯ হাজার ৩৭৫ বিঘা জমি চষাবাদের আওতায় আনা হয়েছে। এজন্য ৪,৫৩০ বিঘা জমিতে ১১,২৫০ মন বীজ ধান ফেলা হয়েছে। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টির কারণে ১,২৫০ মন ধানের বীজ নষ্ট হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেসি বীজতলা নষ্ট হয়েছে ধানসাগর ইউনিয়নে। তিনি আরো বলেন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উপজেলার হাটবাজারগুলোতে হাট সভা ও বাড়িতে বাড়িতে উঠান বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা বৈঠকের মাধমে কৃষকদেরকে বাড়ির আঙিনায়, স্কুল মাঠে ও উঁচু ভিটায় বীজতলা তৈরীর পরামর্শ দিচ্ছেন। এভাবে বীজতলা তৈরি করতে পারলে এবং মাঠের পানি দ্রুত অপসারণ করা গেলে সংকট অনেকটা কেটে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ অতুল ম-ল জানান, জলাবদ্ধতা নিরশনের জন্য সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। কৃষকদের দুর্দশার কথা জেলা মিটিংয়েও বলা হয়েছে। কিন্তু গেট পরিচালনার কোনো সুষ্ঠু ব্যবস্থা করা হয়নি। এখন মোবাইল কোর্ট করা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছিনা।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈনউদ্দিন জানান, তাদের জনবল সংকটের কারণে সব সময় সঠিকভাবে কাজ করা সম্ভব হয়না। আমন মৌসুমে যাতে ফসলি জমির পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা যায় সে ব্যবস্থা করা হবে।

]]>
বাগেরহাটে পাউবো’র বেড়ি বাঁধে ধ্বসে আতঙ্ক https://news17.onlinebangla24.com/?p=1836 Wed, 22 Jul 2015 17:07:12 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1836 বাগেরহাট সংবাদাতা ঃ সিডর ও আইলা বিধ্বস্ত বাগেরহাটের শরণখোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ পোল্ডারের তাফালবাড়ি লঞ্চ ঘাট এলাকার বেড়ি বাঁধের একটি অংশ ধ্বসে পড়েছে। ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরি ব্যবস্থা না নেয়া হলে, যেকোনো মুহূর্তে বেড়ি বাঁধের ঝুঁকি পূর্ণ বাকি অংশ ভেঙে সাউথখালী ও রায়েন্দা দুই ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এ কারণে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, রোববার রাতে জোয়ারের পানির চাপে ওই এলাকার প্রায় ৫শ’ মিটার বেড়ি বাঁধ ধ্বসে পড়ে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলে, যেকোনো মুহূর্তে বাকি অংশ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওই এলাকার মানুষের মাঝে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এই অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে ভেড়ি বাঁধ সংলগ্ন শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ও চাল রায়েন্দা গ্রামের আঃ হালিম শেখ, আঃ সবুর আকন,মহিদুল ইসলাম, আঃ হক ,লিটন, দুলাল, জাকির ঘরামি, আনোয়ার ও রুবেল হাওলাদারসহ ২০টি পরিবার গত ২দিনের ব্যবধানে ঘর বাড়ি ফেলে প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে। বেড়ি বাঁধ সংলগ্ন চাল রায়েন্দা গ্রামের বাসিন্দা আ. জলিল হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন, ইউসুফ মৃধাসহ অনেকে বলেন, ‘সিডরের পর বাঁধ মেরামতের কাজ দেইখ্যা অনেক খুশি অইছিলাম। কিন্তু কাজ শ্যাষ ওইতে না ওইতেই যেভাবে ভাঙ্গন শুরু ওইছে, হ্যাতে (তাতে) রাইতের ঘুম হারাম ওইয়া গ্যাছে। কোনো সময় যানি বাঁধ সম্পূর্ণ ভাইঙ্গা মোগো সব কিছু সিডরের মতো ভাসাইয়া লইয়া যায়। মোগো তো আর কোনোহানে (কোথাও) যাওয়ার জায়গা নাই’।
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই একের পর এক বাঁধ ধ্বসে পড়ায় চাল রায়েন্দা গ্রামটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকায় রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে বাসিন্দাদের। বাঁধ সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে বলেশ্বর নদীর প্রবল ¯্রােতে বাঁধ সংলগ্ন তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি, সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদ, তাফালবাড়ি বাজার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শত শত বসতবাড়ি, ফসলি জমি, পাকা সড়ক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এ ছাড়া বাঁধের আরো ৪-৫টি ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভেঙে সাউথখালী ইউনিয়নের বগী, তেড়াবেকা, গাবতলা, চালিতাবুনিয়া, রায়েন্দা ইউনিয়নের ঝিলবুনিয়া, রাজেশ্বর, লাকুড়তলাসহ কমপক্ষে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন জানান, জরুরি ভাবে ব্যবস্থা না নিলে, যেকোনো মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভেঙে তাফালবাড়ি বাজারসহ ওই এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। এতে ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জানা গেছে, বিগত ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বরের সুপার সাইক্লোন সিডরের আঘাতে বলেশ্বর নদীর কোল ঘেষে নির্মিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেড়ি বাঁধের ব্যাপক ক্ষতি হয়। গত অর্থ বছরে ওই বাঁধ সংস্কার ও ব্লক স্থাপনে বিশ্ব ব্যাংক ৩২ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস এসএস/এসি জয়েন্টভেঞ্চার ওই বাঁধ সংস্কার কাজ ২ মাস আগে শেষ করে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই এ বাঁধ একের পর এক নদীগর্ভে বিলীন হতে শুর করেছে।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌলশী মো. মাঈনউদ্দিন সংস্কার কাজে অনিয়ম ও একের পর এক বেড়ি বাঁধ নদীতে ধবসে পড়ার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে যাতে পানি প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক রয়েছি।

]]>
ষাটগম্বুজ মসজিদসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভিড় https://news17.onlinebangla24.com/?p=1756 Tue, 21 Jul 2015 10:01:49 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1756 খুলনা প্রতিনিধি ঃ বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও হযরত খানহাজান (রঃ) মাজারসহ বাগেরহাটের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভিড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয় বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, ষাটগম্বুজ ও খানজাহান আলীর মাজার এলাকায়। ঈদের দিন থেকে এই বিনোদন স্পটে প্রায় লক্ষাধিক পর্যটকের আগমন ঘটে বলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ ও ষাটগম্বুজে অবস্থিত প্রতœতত্ত্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে ওঠে সুন্দরবন। এ সময় হাজার হাজর দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় সামলাতে বনরক্ষীদের রীতি মতো হিমশিম খেতে হয়। ভ্রমণ পিপাসু দর্শনার্থীরা মাতিয়ে তোলে সুন্দরবন পর্যটন কেন্দ্র করমজলসহ সাগর উপকূল।
বাগেরহাট বেসরকারী বিনোদন কেন্দ্র পৌর পার্ক, সুন্দরবন রির্সোট ও পিকনিক কর্নার, চন্দ্রমহলে এবারে অন্যরকম আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি তরুণ ও তরুনীদের ভীড় ছিল লক্ষনীয়। এছাড়া মা-বাবার সাথে আনন্দ উপভোগ করতে আসা সোনামনিদের আনন্দ ছিল সবচেয়ে বেশি।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে দেশী-বিদেশী পর্যটকের প্রচুর ভীড় লক্ষ্য করা যায়। সুন্দরবনের করমজলসহ কয়েকটি পর্যটন স্পটে ঈদের আগের দিন থেকে ব্যাপক সংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে। ঈদের দিন ও পরের দিন এই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। মংলায় অবস্থিত পর্যটন করপোরেশনের মোটেলসহ সকল হোটেলে আসন পরিপূর্ন হয়ে যায়। বন বিভাগের নির্ধারিত রাজস্ব পরিশোধসহ পাস পারমিট নিয়ে দর্শনার্থীদের সুন্দরবনে বিচরণ করতে হয়। সুন্দরবনের বাঘ, কুমির, বানর, বিষধর সাপ, হিংস্্র প্রাণীর দর্শনলাভের প্রত্যাশায় সুন্দরবনে ভ্রমণে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। দর্শনার্থীদের পদচারণায় প্রাকৃতিক লীলাভূমি সুন্দরবন কোলাহলমুখর হয়ে ওঠে। সুন্দরবনের পর্যটন স্পট করমজলে পর্যটকদের ভিড় সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ঈদের পরে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সুন্দরবনে ভ্রমণে আসা পর্যটকরা দুর্লভ বন্য প্রাণীর দর্শন পেতে ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে ছুটে আসে পর্যটন স্পট করমজলে ।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পল্লব চন্দ্র রায় বলেন, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের ছুটিতে গত বছরের তুলনায় এবার বেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। এখানে হাজার হাজার দেশী-বিদেশী পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমনে আসেন। তবে পিতা-মাতার সাথে শিশুদের আগমন বেশি। সুন্দরবনে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের নিয়ন্ত্রন করতে বনরক্ষীদের হিমশিম খেতে হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো: সহিদুল ইসলাম জানান, এবার ঈদের ছুটিতে সার্বিক পরিবেশ ভালো থাকায় পর্যটকদের আগমন কিছুটা বেড়েছে। সুন্দরবনের হারবাড়িয়া ও করমজল ষ্টেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা পর্যটকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।
ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ ষাটগম্বুজ মসজিদ ও হযরত খানজাহান আলী মাজারে এবারের ঈদের ছুটিতে ব্যাপক পর্যটকের আগমন ঘটে। এ দুটি স্পটে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশের বহু সংখ্যক মানুষ ভ্রমনে আসেন। তবে বেশি আনন্দ করছেন পিতা-মাতার সাথে আসা শিশুরা। কুষ্টিয়া থেকে খানজাহান আলী মাজারে আসা কলেজ ছাত্রী সুমাইয়া বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে এখানে এসে খুব আনন্দ পাচ্ছি, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। সাতক্ষিরা থেকে স্বপরিবারে আসা আলিমুজ্জামান বলেন, মাজারের দিঘির কুমির দেখতে ও পীর সাহেবের কবর জিয়ারত করতে এখানে ছুটে এসেছি। এবার স্বপরিবারে বিনোদন স্পটগুলো ঘুরে অন্য রকম আনন্দ পাচ্ছি।
পিতা-মাতার সাথে ঘুরতে আসা শিশু ফাতেমা-তুজ জোহরা ইমা বলেন,‘আব্বুর সাথে পার্কে ঘুরতে এসে হরিন, বানর, কুমির ও ঈগল পাখি দেখেছি। ট্রেনে চড়েছি, ঘোড়া দেখেছি খুব মজা করছি,।
ষাটগম্বুজ মসজিদ ও প্রতœতত্ত্ব বিভাগের যাদুঘরে রাখা বহু বছর আগের পুরাকীর্তির নিদর্শন দেখে অনেকেই অবাক হন। সেখানে বরিশাল থেকে আসা দর্শনার্থী রতন বলেন,‘ চাকুরী করার কারনে ইচ্ছা থাকলেও অনেক কিছু দেখতে পারি না। এবার ঈদের ছুটিতে এখানে এসে অনেক মজা করলাম। প্রায় ৬শ’ বছর আগে খানজাহানের পুরাকীর্তির নিদর্শন দেখে খুব ভাল লাগল।
বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ প্রতœতত্ত্ব বিভাগের কাষ্টডিয়ান গোলাম ফেরদাউস জানান, বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ইসলাম ধর্মের মানুষের কাছে পবিত্র বিধায় এখানে সারা বছরই অনেক মানুষ পরিদর্শনে আসেন। তবে এ বছর ঈদে দেশী-বিদেশী পর্যটকের আগমন আরও বেশী বেড়েছে। ঈদের দিন থেকে হাজার হাজার পর্যটক ষাটগম্বুজ মসজিদ, যাদুঘর ও খানজাহান মাজার পরিদর্শন করছেন।

]]>
বাগেরহাটে প্রতিবন্ধী যুবতীকে গণধর্ষণ, আটক ১ https://news17.onlinebangla24.com/?p=1563 Mon, 13 Jul 2015 10:22:37 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1563 সংবাদদাতা বাগেরহাট : বাগেরহাটের চিতলমারীতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবতীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে লম্পটরা গণধর্ষণ করেছে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ওই প্রতিবন্ধী যুবতীকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য রোববার সকালে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, শনিবার রাত ১০ টার দিকে চিতলমারী উপজেলার সিংগা খেয়াঘাট এলাকা থেকে কয়েক যুবক ওই প্রতিবন্ধী যুবতীকে (২৪) জোরপূর্বক একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। পরে তারা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় উপজেলার খিলিগাতি গ্রামের লোকজন এমন অবস্থায় যুবতী পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় রোববার চিতলমারী থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে খেয়ার মাঝি নাসির শেখকে (৩০) আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে।
এ ব্যাপারে মামরার তদন্ত কর্মকর্তা চিতলমারী থানার ওসি (তদন্ত) মো. রবিউল ইসলাম জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের ধরতে জোর চেষ্টা চলছে।

]]>
কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ১ https://news17.onlinebangla24.com/?p=1561 Mon, 13 Jul 2015 10:15:53 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1561 সংবাদদাতা মিরপুর, কুষ্টিয়া ঃ কুষ্টিয়ার মিরপুরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ শহিদ (২৪) নামের একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।
রোববার বিকেলে উপজেলার বড়বাড়ীয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব‐১২, সিপিসি‐১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ী শহিদকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করে। সে ওই গ্রামের ধিরাজ মালিথার ছেলে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে মিরপুর থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

]]>
বেডরুমে সমকালের সাংবাদিক খুন https://news17.onlinebangla24.com/?p=1495 Thu, 09 Jul 2015 05:23:53 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1495 নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ চুয়ডাঙ্গা জীবননগরে আবারো বেডরুমে ঢুকে আবু সায়েম (৩২) নামে এক সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় তার বাবাকেও ছুরিকাঘাত করে ঘাতক। এর আগে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের পিয়ারাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সায়েম।তিনি উপজেলার উথলী ইউনিয়নের পিয়ারাতলা গ্রামের আবুল খায়ের ওরফে বাচ্চু মোল্লার (৬০) ছেলে এবং দৈনিক সমকালের জীবননগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

]]>