Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php:6131) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
চট্টগ্রাম বিভাগ – news17.onlinebangla24.com https://news17.onlinebangla24.com Tue, 24 Nov 2015 13:05:33 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.10 গ্রাহকের ১০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও এনজিও https://news17.onlinebangla24.com/?p=7753 Tue, 24 Nov 2015 13:05:33 +0000 http://jamunanewsbd.com/?p=7753 চাদপুর: গ্রাহকদের প্রায় ১০ কোটি টাকা নিয়ে মতলব উত্তর উপজেলায় গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি উধাও হয়ে গেছে। ফলে উপজেলার ছেংগারচর বাজারসহ দেড় সহস্রাধিক গ্রাহক তাদের ৫ বছরের সঞ্চয় হারিয়ে পথে বসেছেন।

প্রতারকরা সটকে পড়ে তাদের অফিসগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অংকের এসব টাকা সংগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজারে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি নামে ৫ বছর আগে জনতা ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম চালু করে। যা পরবর্তীতে ২০১৩ সাল থেকে মতলব উত্তর গ্রামীণ সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি নামে কার্যক্রম চালায়। সমিতির সাইনবোর্ডে নিবন্ধন-২২৪ চাঁদ/১৩, ২২ মে ২০১৩ইং, রেজিঃ ৫৯৩, তারিখ-২৪ ডিসেম্বর ২০০৩ইং লেখা রয়েছে।

২৩ নভেম্বর ভোরে সোসাইটির ছেংগারচর অফিসে তালা দিয়ে কর্মকর্তারা পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানায়।

এদিকে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটির পাস বইয়ে সরকার অনুমোদিত কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংস্থার কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী ঠিকানা পাওয়া যায়নি। প্রতারিত গ্রাহকরা কোথায় গিয়ে টাকা চাইবে তার কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না।

গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটির চেয়ারম্যান ওয়ালিউল্লাহ মাসুদ কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা’ বন্ধ পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, ২০১০ সালে ছেংগারচর বাজারে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ নামের এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে। এ সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও এফডিআর বাবদ প্রায় ১০ কোটি টাকা আমানত গ্রহণ করে।

এ ব্যাপারে সমিতির গ্রাহক জয় মিয়া জানান, তিনি ২০১২ সালে ৫ বছর মেয়াদী ডিপিএস করেন। ডিপিএসে জমা করা টাকার পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আগামি সাপ্তাহে মেয়াদ শেষে তার জমা করা টাকা দেয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই ভুয়া কোম্পানির কর্মকর্তারা উধাও হয়ে যায়।

জয় মিয়ার মত আমিনুল হক, ইসমাইল, মোহাম্মদ আলী, আলাউদ্দিন, তবদিল, শেখ ফরিদসহ আরও অনেক প্রতারিত গ্রাহক অর্থ হারিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার কথা জানান এ প্রতিবেদকের কাছে। অফিস তালা দিয়ে চলে যাওয়ার খবর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রাহকরা এসে ভিড় জমায়।

ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন জানান, দৈনিক কিস্তিতে গ্রামীণ লোন দিত। কয়েক মাস ধরে তারা লোন দেয়া বন্ধ করে দেয়। আমাদের কাছ থেকে সঞ্চয় নিয়েছে কিন্তু কোনো লোন দেয়নি।

এদিকে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ সোসাইটির ভাড়া বাড়ির মালিক মো. সাধন সরকার জানান, ২০১২ সালে ৫ বছরের জন্য আমার বাড়ি ভাড়া নেয়। আমি যথাযথ নিয়ম মেনে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তাদের কাছে ভাড়া দেই। কিন্তু ২৩ নভেম্বর সকালে গ্রাহকরা এসে অফিস বন্ধ দেখে আমাকে বিষয়টি জানায়।

এ শাখার ব্যবস্থাপক মকবুল হোসেনের মুঠোফোনে (০১৭৪০-৯৬৩৩১৩) কয়েকবার কথা বলার জন্য কল করলেও ব্যস্ত রয়েছে বলে জানায়। তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মুখলেছুর রহমান বলেন, মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি সমবায় অধিদপ্তারের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান। তাদের আর্থিক হিসাব আমাদের কাছে আছে। তাদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটির বাইরে যদি কর্মকর্তারা আর্থিক লেনদেন করে থাকেন সেটির হিসাব আমাদের কাছে নেই।

মুখলেছুর রহমান আরো বলেন, উধাও হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। বিল্ডিং মালিকের সাথে কথা হয়েছে, যেন অফিসের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার জন্য। তাদের বিভিন্ন রেজিস্টার রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকৃত লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ইতিপূর্বে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি নামের এই প্রতিষ্ঠানটি কচুয়া, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলায় তাদের কার্যালয় গুটিয়ে নেয়। প্রতিটি উপজেলাতেই গ্রাহকদের ৩ থেকে ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা।

]]>
চট্টগ্রামে যুবদল কর্মীকে জবাই করে হত্যা https://news17.onlinebangla24.com/?p=2728 Fri, 14 Aug 2015 10:58:20 +0000 http://ajkalporshu.com/?p=2728 চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকার মুরগীর ফার্ম এলাকায় সাইদুর রহমান (২৪) নামে এক যুবদল কর্মীকে জবাই করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাইদুল ইসলাম পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকার মুরগীর ফার্ম এলাকার আরবান আলী মাঝির বাড়ির মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাগরিকা মুরগী ফার্ম এলাকায় সোহেল নামে একজনের সঙ্গে সাইদুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছিল। শুক্রবার দুপুরে বাসার সামনে থেকে সোহেলসহ তার লোকজন সাইদুল ইসলামকে ধরে নিয়ে যায়। আলমতারা পুকুর পাড় এলাকায় নিয়ে ছুরিকাঘাত করার পরে তাকে ছুরি দিয়ে জবাই করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

খবর পেয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান শীর্ষ নিউজকে জানান, সাইদুল কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নয়। ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে সাইদুলকে প্রতিপক্ষের লোকজন বাসা থেকে ডেকে আলমতারা পুকুর পাড় এলাকায় নিয়ে যায় এবং তাকে ছুরিকাঘাত ও গলায় ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় জড়িত চিহ্নিতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।

তবে ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন জিয়ার দাবি সাইদুল ইসলাম ওয়ার্ড যুবদলের সক্রিয় কর্মী। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক মামলা রয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জহিরুল ইসলাম শীর্ষ নিউজকে বলেন, পাহাড়তলী থানার মুরগীর ফার্মের কাজীর পুকুর পাড় এলাকায় ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন সাইদুর রহমানকে জবাই করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।

]]>
গ্রেফতার আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে অনেক অপরাধী https://news17.onlinebangla24.com/?p=2304 Mon, 03 Aug 2015 11:08:05 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2304 চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম জেলা জুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গা ঢাকা দিয়েছে চিহ্নত অপরাধীরা। এতে করে এলাকায় কমে গেছে অপরাধ প্রবণতা। গ্রেফতার আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে অনেক অপরাধী। চুরি, ডাকাতি, মানবপাচার, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা গ্রেফতার হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এসব অভিযানে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি, জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী, সন্ত্রাসী, চুরি ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বন্ধে বিগত কয়েক মাস যাবত জেলা জুড়ে চলছে বিশেষ অভিযান। এই অভিযানে অসংখ্য আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিগত এক মাসে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ২১২২ জন। এদের মধ্যে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীসহ নিয়মিত মামলার ২৫০ জন আসামি রয়েছে তারা বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে জড়িত বলে পুলিশের দাবি।

এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ১৮৬০ ও সাজাপ্রাপ্ত ১২জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।

বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ২২৯৯লিটার চোলাই মদ, ১৫৩১০পিস ইয়াবা এবং ১৩ কেজি গাজা । উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০টি কার্তুজ ।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাঈমুল হাসান বিশেষ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে শীর্ষ নিউজকে জানান, জেলায় অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চলানো হচ্ছে। অভিযানে চিহ্নত অপরাধীরা গ্রেফতার হওয়ায় অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে কমে গেছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

]]>
ঝুকিমুক্ত বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উপকুল অতিক্রম করছে কোমেন https://news17.onlinebangla24.com/?p=2142 Fri, 31 Jul 2015 04:36:57 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2142 অবহাওয়া নিউজ : উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাতিয়া-সন্দ্বীপের ওপর দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। মধ্যরাত নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। রাত পৌনে ১০টায় আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. শাহ আলম বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাতিয়া-সন্দ্বীপের ওপর দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। যেহেতু দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই উপকূল পার হতে ৩/৪ ঘণ্টা লাগবে’।

তিনি আরও জানান, ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বেশ ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। উপকূল অতিক্রমের সময় বাতাসের বেগ ৬০-৭০ কিলোমিটার থাকবে।

আজ সন্ধ্যা ৬টায় কোমেন চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার পূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে অবস্থান করছিল। সকাল ৯টায়ও এটি একই অবস্থানে ছিল।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরেও পণ্য খালাস সীমিত রাখা হয়েছে। বন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা জেলাগুলো এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও সাত নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। এছাড়া মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে

]]>
১০ লক্ষ টাকা টাকা জরিমানা দিন ম্যানোলা পাহাড় মালিক https://news17.onlinebangla24.com/?p=2072 Wed, 29 Jul 2015 14:31:48 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2072 চট্রগ্রাম সঙবাদদাতা : চট্টগ্রাম মহানগরীর দামপাড়া মোহাম্মদ আলী রোডসংলগ্ন ম্যানোলা পাহাড় ধসে জেলা শিল্পকলা একাডেমী ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ঘটনায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
আজ বুধবার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এর ৭ ধারা অনুযায়ী পাহাড়টির মালিক পক্ষকে এ জরিমানা করে পরিবেশ অধিদপ্তর।
এছাড়া এক মাসের মধ্যে শিল্পকলা একাডেমীর সীমানা প্রাচীর ও ভবনের ক্ষতিগ্রস্থ দুইটি কক্ষ মেরামত এবং পাহাড়টি যথাযথভাবে সংরক্ষণে জন্য আগামী দুই মাসের মধ্যে রিটেইনিং ওয়াল বা উপযুক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানান পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মো. আজাদুর রহমান মল্লিক।

]]>
ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জনজীবনে চরম বিপর্যয় https://news17.onlinebangla24.com/?p=2031 Tue, 28 Jul 2015 02:54:32 +0000 http://gtbnews24.com/?p=2031 রাউজান সংবাদদাতা : অবিরাম বর্ষণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার মত রাউজানের জনজীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ী ঢল আর জোয়ারের পানিতে বিল-ঝিল, রাস্তা-ঘাট ডুবে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকার হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক সংযোগ। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, মিলছে না হাটবাজার, থমকে আছে ব্যবসা বাণিজ্য। ভেঙ্গে পড়েছে ঘর-বাড়ি, ডুবে গেছে মৎস খামার, ভেসে গেল লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ। তাই মৎস চাষীদের মাথায় পড়েছে বাঁজ। ঈদের দিন থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি পড়লেও গত বৃহস্পতিবার থেকে টানা বর্ষণে রাউজানের নিম্মাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের রাউজান জলিল নগর, মুন্সিরঘাটা, বেরুলিয়া, ধায়েরঘাটা ও পৌরসভা এলাকার থানা রোড হাঁটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়ক পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পৌর সদরের শাহনগর, ছত্তর পাড়া, উপজেলার ডাবুয়া, চিকদাইর,রাউজান কদলপুর, পূর্বগুজরা, পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। নোয়াপাড়া-রাউজান সড়ক ও পাহাড়তলী হাফেজ বজলুর রহমান সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কামরুল নামের এক সিএনজি অটো-রিক্সা চালক জানান, গত দুই দিন মালিকের ভাড়াটাও আয় করতে পারি নি। রাস্তায় মানুষের তেমন চলাচল নেই। তাছাড়া রাস্তার মাঝে মাঝে হাটু সমান পানি থাকায় গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। এভাবে আরো কয়েক বৃষ্টি পড়তে থাকলে পরিবারে খাবার যোগাড় করতে অনেক কষ্ট হবে। রাউজানের রাস্তার ধারে বিভিন্ন হাট-বাজার, দোকান-পাট ও জংশনে পানি নিঃষ্কাশনের জন্য যে সকল নালা রয়েছে সেগুলো দোকান-পাট ও বাজারের আবর্জনায় ভরে থাকার ফলে রাস্তায় পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে উঠেছে। সে সকল স্থানে পায়ে হেটে চলা খুবই কষ্টসাধ্য। এদিকে রবিবার সর্তা খালের প্রবল স্রোতে উত্তর হলদিয়া চাদ তেলির বাড়ী পাশে ১১ হাজার লাইনের পল্লি বিদ্যুতের খুটি ও তার পানিতে তলিয়ে গেছে। খুটিসহ তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় সে এলাকার প্রায় ৩০০ পরিবার বিদ্যুৎ হীন হয়ে পড়েছে। চিকদাইরে অসংখ্য মাটির ঘর বাড়ী ভেঙ্গে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পৌরসদরের বাসিন্দা নুরুল আবছার জানিয়েছে সর্তা, ডাবুয়া কাশখালী ও রাউজান হয়ে তীব্র বেগে পাহাড়ী পানি নামতে থাকায় খাল গুলোর বিভিন্ন অংশের পাড় ভেঙ্গে অনেক গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। তীব্র বেগে ছুটে আসা খালে পানির চাপে এলাকার কাঁচা রাস্তা ভেঙ্গে গেছে। মাছ চাষের পুকুর ডুবে ভাসিয়ে গেছে মাছ।
মধ্যপ্রাচ্যের ভিসা বন্ধ থাকার ফলে প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা রাউজানের শত শত যুবক বেকারত্ব মোচনের তাগিদে নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনে ব্যাংক ঋণ, ধার-দেনা ও নিজেদের জমানো পুজিঁ নিয়ে মৎস চাষে বিনিয়োগ করে। এছাড়াও অধিক মুজুরি ও ধান চাষের অন্যান্য উপকরণ সাশ্রয়ী ও সহজ লভ্য না হওয়ায় অনেক ধান চাষী মৎস চাষে ঝুঁকে পড়ে। তাই বিগত কয়েক বছরে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় একক বা যৌথভাবে সহস্রাধিক মৎস প্রকল্প গড়ে উঠেছে। টানা বর্ষণের ফলে জোয়ারের পানি আর পাহাড়ি ঢলে এসব মৎস প্রকল্পের অধিকাংশ পানিতে তালিয়ে যায় এবং পাহাড়ি অঞ্চলের অনেক গুলো প্রকল্পের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। পানিতে ভেসে যায় লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ। সেই সাথে ভেসে যায় শত শত মৎস খামারীর স্বপ্ন। সরেজমিন দেখা যায়, প্রকল্প গুলোর আশে-পাশের এলাকার কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে বৃদ্ধরা মাছ ধরার মহা উৎসবে মেতে উঠেছে। মৎস চাষীরা অসহায় দৃষ্টিতে তা অবলোকন করছে।
রাউজানের মগদাই, বিনাজুর, উরকিরচর, গশ্চি, পশ্চি গুজরা’র মৎস খামারীরা জানিয়েছে পূর্বের প্রস্তিুতি না থাকার কারনে তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ জলে ভেসে গেছে। মগদাই চাঁদের দিঘি মৎস্য সমিতির সদস্য প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম জানিয়েছেন, তাদের ৪ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ রক্ষা করতে হিমসিম পোহাতে হচ্ছে। মগদাই এলাকায় প্রায় ২০টির মত পুকুর থেকে মাছ বের হয়ে খালে বিলে চলে গেছে। বৃষ্টি থেমে গেলে জনজীবনে আবার স্বাভাবিক প্রাণ চঞ্চলতা ফিরে আসবে। আমরা নিজেরা যদি একটু সচেতন হয় এবং একে অপরের সহযোগীতায় এগিয়ে যায় এসব প্রাকৃতিক দূর্যোগের বেশ কিছু ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন রাউজান কবি নজরুল সাহিত্য পরিষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি আরো বলেন, এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র দক্ষ নেতৃত্বে ও পর্যবেক্ষণে এই দূর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি গুলো দ্রæত কাটিয়ে উঠবে।

]]>
চট্রগ্রামে পাহাড় ও দয়োল ধ্বশে ৫ জন নহিত, https://news17.onlinebangla24.com/?p=1734 Sun, 19 Jul 2015 17:10:26 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1734 চট্রগ্রাম সংবাদদাতা :ঈদের দিন থেকে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীতে পাহাড় ও দেওয়াল ধসে পাঁচ শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোররাতে নগরীর লালখান বাজার এবং বায়েজিদ থানার আমিন কলোনিতে ঘটনা দুটি ঘটে। পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
লালখান বাজারের মতিঝর্ণার পোড়া কলোনিতে দেওয়াল ধসে মারা গেছেন মা-মেয়েসহ তিনজন। নিহতরা হলেন মরিয়ম বেগম (২৯), তার মেয়ে সুরাইয়া আক্তার (২) এবং তাদের প্রতিবেশীর মেয়ে আঁখি নুর (৫)।চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার তাহমিলুর রহমান জানান, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঘরের দেয়াল ধসে পড়লে চাপা পড়েন তারা তিনজন।
অন্যদিকে রাত ২টার দিকে বায়েজিদের ট্যাংকির পাহাড়ের আমিন কলোনিতে ভূমিধসে মারা যান এক পরিবারের তিনটি শিশু। তারা হল- পাইপ মিস্ত্রি মো. শাহাজানের মেয়ে বিবি মরিয়ম (দেড় বছর), সালমা (৫) ও ছেলে আরাফাত হেসেন ফরিদ (১২)।চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।শাহজাহানের বাড়ি নোয়াখালী সদরের কাশিমপুর গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে সম্প্রতি পাহাড়ে ওই অবৈধ বসতিতে ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন বলে স্থানীয়রা জানায়।রাতে দুর্ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিবারকে দাফনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেন।
২০০৭ সালের জুন মাসে অতিবর্ষণের মধ্যে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ১২৭ জন মারা গিয়েছিল। এরপর থেকে প্রতিবছরই বর্ষায় অবৈধ বসিত উচ্ছেদে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। তার পরও অনেক পরিবার লুকিয়ে এসব বসতিতে বসবাস করেন।

]]>
টানা ভারি বর্ষণে নিম্বাঞ্চল প্লাবিত নোয়াখালী পৌরবাসীর চরম দুর্ভোগ https://news17.onlinebangla24.com/?p=1544 Fri, 10 Jul 2015 10:46:00 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1544 নোয়াখালী সংবাদদাতা ঃ গত ২ দিনে টানা ভারি বর্ষণে নোয়াখালী পৌরবসভার নিম্বাঞ্চল প্লাবিত।এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজারও মানুষ। টানা ভারি বর্ষণে নোয়াখালী পৌর সভার ড্রেনেজ অব্যবস্থার কারণে পানি নিস্কাসন না হওয়ায় জেলা শহর মাইজদী, লক্ষ্মীনারায়ণপুর সড়ক, ও হাউজিং মোড় জয়কৃষ্ণপুর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এ- কলেজ সড়ক সহ বিভিন্ন সড়কে গত ১ সপ্তাহ থেকে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। এ ছাড়া ইসলামীয়া সড়ক, সার্কিট হাউজ সড়ক, নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সড়ক, দত্তেরহাট মোরগ হাঁটা সড়কসহ পৌর সভার বেশীর ভাগ রাস্তা, অনেক বাড়ি ঘর হাঁটু পানিতে ডুবে গেছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার কোনো সংস্কার নেই। এতে পানিবন্দী রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। দেখা দিয়েছে গবাদিপশুসহ গৃহপালিত পশু-পাখির খাবার সঙ্কট। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা হাঁটু পরিমাণ পানি ডিঙ্গিয়ে স্কুলে যায়।গত ১০জন থেকে এই সড়কে এ দিকে ভারি বর্ষণে রাস্তা-ঘাট প্লাবিত ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলায় গ্রামীণ কাঁচা সড়ক গুলো সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। নিঝুমদ্বীপের চেয়ারম্যান মো. মিরাজ জানান গত ২/৩ দিনের টানা ভারি বর্ষণে ও প্রবল জোয়ারে নিঝুমদ্বীপ নির্মাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। নোয়াখালী পৌর মেয়র মো. হারুনুর রশিদ আজাদ সত্যতা স্বীকার করে বলেন- অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণের কারণে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

]]>
নোয়াখালীতে মেসার্স জনতা ব্রিক ফিল্ড নিয়ে প্রতারণা, স্থানীয়দের বিক্ষোভ https://news17.onlinebangla24.com/?p=1530 Fri, 10 Jul 2015 05:01:56 +0000 http://gtbnews24.com/?p=1530 সংবাদদাতা (নোয়াখালী) : জেলার বেগমগঞ্জের কাদিরপুরে প্রকৃত ও বৈধ মালিককে না জানিয়ে প্রতারণা ও কুটকৌশলে রাতের আঁধারে মেসার্স জনতা ব্রিক ফিল্ড বিক্রয়ের অপচেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। সূত্র জানায়, বেগমগঞ্জের রফিকপুরের রাজা মিয়ার ছেলে মো. জামাল উদ্দিন নিজে একক মালিক সেজে এরূপ জঘন্য, শঠতাপূর্ণ ও সমাজবিরোধী কর্মকা- সংঘটিত করার প্রতিবাদে রুখে দাাঁড়িয়েছে সমাজের বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার সকালে সরজমিনে গেলে ব্রিকফিল্ড এলাকায় সমাজের শতশত লোক জড়ো হয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী ও সমাজের গণ্যমান্যরা সভাস্থলে জানান, ব্রিক ফিল্ডটির মালিক লতিফপুরের সামছল হক পাটওয়ারীর ছেলে মুজিবুর রহমান ছোটন সরল বিশ্বাসে ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে রাজা মিয়ার ছেলে মো. জামাল উদ্দিনকে অংশীদার করেন। অংশীদারকালে জামাল সম মালিকানার সমপরিমাণ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে পুরো ফিল্ডটির মালিকানা নিজের আয়ত্বে নিতে নানা ফন্দি-ফিকিরে লিপ্ত হয়। সভাস্থলে ছোটন, কাঞ্চন ও নুরনবী জানান, জামাল প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ না করে ছোটনের বিনিয়োগকৃত ফিল্ড হতে লাখ লাখ টাকার ইট, কণা বিক্রয় করে দেয়। ছোটন হিসেবে চাইলে দেব, দিচ্ছি বলে দিনের পর দিন নানা তালবাহনায় এড়িয়ে চলে। সম্প্রতি, জামাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছোটনকে ফিল্ডে একা পেয়ে জোরপূর্বক আটকিয়ে মারধোর করে। এ সময় তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বেশ কিছু সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। ঘটনাকালে ছোটনকে ফিল্ড হতে সরে না গেলে লাশ ফেলে দেয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে, তারা ছোটনকে মেসার্স জনতা ব্রিক ফিল্ডের মালিকানা ছেড়ে দেয়ার শর্তে নগদ ১০ লাখ টাকা গ্রহণে বাধ্য করেন। বাদবাকী টাকা ৩০ এপ্রিলে দেয়ার কথা থাকলে তা না দিয়ে রাতের আঁধারে ফিল্ডটি অন্যত্র হস্তান্তর করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে ফিল্ডের ভূমি মালিক কাঞ্চন, কালা মিয়াসহ অন্যান্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জামালের প্রতারণা ও শঠতার বিরুদ্ধে সমাজের বিভিন্নমহলে বিচার দাবি করেন। তারা জানান, তাদের জায়গাটি ছোটন ভাড়া নিয়েছে যে সময়ের জন্যে তা পুরিয়ে গেছে। এ অবস্থায় কেহ কোনভাবে ওই ভূমি কারো কাছে হস্তান্তর কিংবা ভাড়া দিতে পারেনা। সভাস্থলে জামাল উদ্দিনও হাজির হয়ে পূর্বাপর সব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়দের দাবির মুখে চেয়ারম্যান নুরনবী জামাল উদ্দিনকে ফিল্ডের হিসাবের খাতাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসছে ঈদের ১০দিন পর বৈঠকে হাজির থাকার নির্দেশ নিলে স্থানীয়রা তা মেনে বিক্ষোভ বন্ধ করেন।

]]>