themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131প্রতারকরা সটকে পড়ে তাদের অফিসগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অংকের এসব টাকা সংগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।
মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজারে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি নামে ৫ বছর আগে জনতা ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম চালু করে। যা পরবর্তীতে ২০১৩ সাল থেকে মতলব উত্তর গ্রামীণ সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি নামে কার্যক্রম চালায়। সমিতির সাইনবোর্ডে নিবন্ধন-২২৪ চাঁদ/১৩, ২২ মে ২০১৩ইং, রেজিঃ ৫৯৩, তারিখ-২৪ ডিসেম্বর ২০০৩ইং লেখা রয়েছে।
২৩ নভেম্বর ভোরে সোসাইটির ছেংগারচর অফিসে তালা দিয়ে কর্মকর্তারা পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানায়।
এদিকে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটির পাস বইয়ে সরকার অনুমোদিত কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংস্থার কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী ঠিকানা পাওয়া যায়নি। প্রতারিত গ্রাহকরা কোথায় গিয়ে টাকা চাইবে তার কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না।
গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটির চেয়ারম্যান ওয়ালিউল্লাহ মাসুদ কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা’ বন্ধ পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, ২০১০ সালে ছেংগারচর বাজারে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ নামের এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে। এ সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয় ও এফডিআর বাবদ প্রায় ১০ কোটি টাকা আমানত গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে সমিতির গ্রাহক জয় মিয়া জানান, তিনি ২০১২ সালে ৫ বছর মেয়াদী ডিপিএস করেন। ডিপিএসে জমা করা টাকার পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আগামি সাপ্তাহে মেয়াদ শেষে তার জমা করা টাকা দেয়ার কথা। কিন্তু তার আগেই ভুয়া কোম্পানির কর্মকর্তারা উধাও হয়ে যায়।
জয় মিয়ার মত আমিনুল হক, ইসমাইল, মোহাম্মদ আলী, আলাউদ্দিন, তবদিল, শেখ ফরিদসহ আরও অনেক প্রতারিত গ্রাহক অর্থ হারিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার কথা জানান এ প্রতিবেদকের কাছে। অফিস তালা দিয়ে চলে যাওয়ার খবর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রাহকরা এসে ভিড় জমায়।
ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন জানান, দৈনিক কিস্তিতে গ্রামীণ লোন দিত। কয়েক মাস ধরে তারা লোন দেয়া বন্ধ করে দেয়। আমাদের কাছ থেকে সঞ্চয় নিয়েছে কিন্তু কোনো লোন দেয়নি।
এদিকে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ সোসাইটির ভাড়া বাড়ির মালিক মো. সাধন সরকার জানান, ২০১২ সালে ৫ বছরের জন্য আমার বাড়ি ভাড়া নেয়। আমি যথাযথ নিয়ম মেনে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তাদের কাছে ভাড়া দেই। কিন্তু ২৩ নভেম্বর সকালে গ্রাহকরা এসে অফিস বন্ধ দেখে আমাকে বিষয়টি জানায়।
এ শাখার ব্যবস্থাপক মকবুল হোসেনের মুঠোফোনে (০১৭৪০-৯৬৩৩১৩) কয়েকবার কথা বলার জন্য কল করলেও ব্যস্ত রয়েছে বলে জানায়। তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মুখলেছুর রহমান বলেন, মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি সমবায় অধিদপ্তারের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান। তাদের আর্থিক হিসাব আমাদের কাছে আছে। তাদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটির বাইরে যদি কর্মকর্তারা আর্থিক লেনদেন করে থাকেন সেটির হিসাব আমাদের কাছে নেই।
মুখলেছুর রহমান আরো বলেন, উধাও হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। বিল্ডিং মালিকের সাথে কথা হয়েছে, যেন অফিসের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার জন্য। তাদের বিভিন্ন রেজিস্টার রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকৃত লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ইতিপূর্বে গ্রামীণ কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি নামের এই প্রতিষ্ঠানটি কচুয়া, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলায় তাদের কার্যালয় গুটিয়ে নেয়। প্রতিটি উপজেলাতেই গ্রাহকদের ৩ থেকে ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা।
]]>ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুল ইসলাম পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকার মুরগীর ফার্ম এলাকার আরবান আলী মাঝির বাড়ির মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাগরিকা মুরগী ফার্ম এলাকায় সোহেল নামে একজনের সঙ্গে সাইদুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছিল। শুক্রবার দুপুরে বাসার সামনে থেকে সোহেলসহ তার লোকজন সাইদুল ইসলামকে ধরে নিয়ে যায়। আলমতারা পুকুর পাড় এলাকায় নিয়ে ছুরিকাঘাত করার পরে তাকে ছুরি দিয়ে জবাই করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
খবর পেয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।
পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান শীর্ষ নিউজকে জানান, সাইদুল কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নয়। ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে সাইদুলকে প্রতিপক্ষের লোকজন বাসা থেকে ডেকে আলমতারা পুকুর পাড় এলাকায় নিয়ে যায় এবং তাকে ছুরিকাঘাত ও গলায় ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় জড়িত চিহ্নিতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
তবে ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন জিয়ার দাবি সাইদুল ইসলাম ওয়ার্ড যুবদলের সক্রিয় কর্মী। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জহিরুল ইসলাম শীর্ষ নিউজকে বলেন, পাহাড়তলী থানার মুরগীর ফার্মের কাজীর পুকুর পাড় এলাকায় ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন সাইদুর রহমানকে জবাই করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।
]]>এসব অভিযানে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি, জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মী, সন্ত্রাসী, চুরি ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বন্ধে বিগত কয়েক মাস যাবত জেলা জুড়ে চলছে বিশেষ অভিযান। এই অভিযানে অসংখ্য আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিগত এক মাসে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ২১২২ জন। এদের মধ্যে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীসহ নিয়মিত মামলার ২৫০ জন আসামি রয়েছে তারা বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে জড়িত বলে পুলিশের দাবি।
এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ১৮৬০ ও সাজাপ্রাপ্ত ১২জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।
বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ২২৯৯লিটার চোলাই মদ, ১৫৩১০পিস ইয়াবা এবং ১৩ কেজি গাজা । উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০টি কার্তুজ ।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাঈমুল হাসান বিশেষ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে শীর্ষ নিউজকে জানান, জেলায় অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চলানো হচ্ছে। অভিযানে চিহ্নত অপরাধীরা গ্রেফতার হওয়ায় অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে কমে গেছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
]]>তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাতিয়া-সন্দ্বীপের ওপর দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। যেহেতু দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই উপকূল পার হতে ৩/৪ ঘণ্টা লাগবে’।
তিনি আরও জানান, ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বেশ ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। উপকূল অতিক্রমের সময় বাতাসের বেগ ৬০-৭০ কিলোমিটার থাকবে।
আজ সন্ধ্যা ৬টায় কোমেন চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার পূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে অবস্থান করছিল। সকাল ৯টায়ও এটি একই অবস্থানে ছিল।
কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরেও পণ্য খালাস সীমিত রাখা হয়েছে। বন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা জেলাগুলো এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও সাত নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। এছাড়া মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে
]]>