themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131বুধবার দুপুরে জয়পুরহাটে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন করলে বিচারক আব্দুল্লাহ আল-আমীন ভুইয়া জামিন না মজুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান ও জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম কড়িয়া গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে।
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান মোস্তফিজুর রহমান একটি নাশকতার মামলায় হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তহের অন্তর্বতীকালীন জামিনে ছিলেন। মোদ শেষে আজ জয়পুরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা মজুর না করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
]]>এ সময় অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১টি সামুরাই ও ১ টি হাসুয়াসহ ২৫ পিচ ইয়াবা ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। পরে গুলিবিদ্ধ সজলকে গ্রেফতার করে চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থান্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় সজলের আরেক সহযোগী একই এলাকার প্রিন্স (২৯) নামে আরেক মাদক ব্যবসায়ীকেউ আটক করেছে পুলিশ।
তার বিরুদ্ধে জয়পুরহাট থানায় প্রায় এক ডজন মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলেও ওসি জানান।
জয়পুরহাট পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, নরসিংদি ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আনা ২৫ জন যুবককে জয়পুরহাট সীমান্ত দিয়ে ভারত হয়ে নেপালে পাচারের উদ্দেশ্যে জয়পুরহাট শহরের সৌরভে আসাসিকে -১২ জন এবং পৃথিরী আবাসিক হোটেলে-১৩ জনকে রাখা হয়েছিল, এমন গোপন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার রাত ১১টায় ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক এমরান মাহমুদ তুহিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ হোটেলটি ঘেড়াও করে।
পরে হোটেলে তল্লাশী চালিয়ে রাতেই স্থানিয় সৌরভ আবাসিক থেকে ১০জনকে এবং পরে শনিবার সাকলা ১১টার দিকে পৃথিবী আবাসিক হোটেল থেকে আরো ১১জনকে মোট ২১জন যুবককে উদ্ধার করে। সেই সাথে জয়পুরহাট সদরের চক দাদরা গ্রামের সিরাজ আকন্দের ছেলে মানর পাচারকারী চক্রের সদস্য লাভলু মিয়াকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
উদ্ধারকৃতরা হলেন- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রাম ডাকুয়া গ্রামের মৃত. কফিল উদ্দীনের ছেলে জাকারিয়া (২৭), একই উপজেলার মৃত. বক্তার হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২৮), বাদশা মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া, একই উপজেলার পশ্চিম কালু বেলকা গ্রামের নজির হোসেনের ছেলে মোসাদ্দেক হোসেন, লবিয়া গ্রামের বাছেদ মিয়ার ছেলে মানিক মিয়া (২০), একই গ্রামের মৃত. আব্দুল আলীমের ছেলে হানিফা (৩৫), মৃত শহিদুল্লার ছেলে আল আমিন (২৩) ও নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁন্দের কান্দি গ্রামের আ: লতিফের ছেলে রমজান আলী (২০) ও একই জেলার শিবপুর উপজেলার ধনিয়া গ্রামের নজি মদ্দীন। পরের ১১জনের নাম ঠিাকানা পাওয়া যায়নি।
জয়পুরহাট ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মাহফুজার রহমান জানান, সংঘবদ্ধ পাচারকারীরা এসব নিরীহ প্রকৃতির যুবকদের নির্মান শ্রমিকের কাজ দেওয়া হবে বলে লোভ দেখিয়ে নেপালে পাচারের চেষ্টা করছিল। পাচারকারী আরো কতজনকে এ সীমান্ত পথে পাচার করেছে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ চক্রের অন্যান্য পাচারকারীদেরও শিঘ্রই গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
কলেজের অধ্যক্ষ ওহিদুজ্জামান জানান, ২০০৬ সালের ১৬ জুলাই জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের যাত্রা শুরু হয়। ইতঃমধ্যে এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ব্যাচ ক্যাডেট এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেছে। প্রতিব্যাচে এর আসন সংখ্যা ৫০টি। অত্যন্ত মনোরম পরিবেশ হওয়ায় এখানকার ক্যাডেটরা ভাল ফলাফল করে বলেও জানান তিনি।
]]>