Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131
মান্দায় টি আর প্রকল্পের ২হাজার গাছ পানির দরে বিক্রি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মান্দায় টি আর প্রকল্পের ২হাজার গাছ পানির দরে বিক্রি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ – news17.onlinebangla24.com
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন

মান্দায় টি আর প্রকল্পের ২হাজার গাছ পানির দরে বিক্রি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০১৫

Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-content/themes/newsdemoninee/single.php on line 129

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় টি আর প্রকল্পের ২০০০টি গাছ মান্দা সদর ইউনয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহম্মেদ হিন্দোলের নিরব সমর্থনে ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় পানির দরে বিক্রি করে বেশিরভাগ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি টক অব দ্যা উপজেলায় পরিণত হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার মান্দা ইউনিয়ন পরিষদের ২৪.০৭.২০০৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলা বন বিভাগের সহযোগিতায় ৪৫জন সদস্য নিয়ে জুলাই-আগস্ট মাসে কোঁচড়া দাখিল মাদরাসা থেকে বিশ্ববাঁধ, উত্তর কোঁচড়া থেকে কোঁচড়া নিচপাড়া পর্যন্ত, কৃষ্ণপুর থেকে উত্তর কোঁচড়া পর্যন্ত, চক ভবানী থেকে জঙ্গলী পাড়া (সাহাপুর)পর্যন্ত, চকভবানী থেকে বাদলঘাটা মৎস্যজীবীপাড়া পর্যন্ত, কোঁচড়া স্কুল বাজার থেকে বিন্দু বাজার পর্যন্ত, ঘোড়াদহ থেকে হাড়কিশোর বাদলঘাটা পর্যন্ত, বিন্দু বাজার থেকে ঢোল পুকুড়িয়া পর্যন্ত ও কবিরাজপাড়া থেকে ঢোলপুকুরিয়া পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় ইউক্যালিপটাস, মিনজিয়াম, মিনজিরি, আকাশমণি,গামারী,ইপিল-ইপিলসহ নানা প্রজাতির প্রায় ৫০০০টি বনজ গাছের চারা লাগানো হয়। উদ্দেগী সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে রক্ষনাবেক্ষণের মাধ্যমে গাছগুলো বড় করে তোলে। বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী ইউপির বিভিন্ন রাস্তায় লাগানো গাছ ১০ বছর পর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে আয়ের শতকরা ৭৫ভাগ অর্থ স্থানীয় উদ্দেগী কমিটির সদস্যগণ পাবেন। বাকি ২০ভাগ ইউনিয়ন পরিষদ পাবেন এবং ৫ ভাগ অর্থ রাস্তার পার্শ্বের জমিওয়ালারা পাবেন। কিন্তু ১০বছর মেয়াদ না হতেই এক শ্রেণীর বন দস্যুর কবলে পড়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহম্মেদ হিন্দোল কোন বাঁধা না দিলে ৪৫ জন সদস্যের মধ্যে ২৮জন সদস্য মিলে ২০১৫ সালের কাল বৈশাখী ঝড়ের পর থেকে কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই ঝড়ে পড়া ৪৫টি গাছসহ প্রায় ৭৫ লাখ টাকা দামের ২০০০টি গাছ কিছু নিলাম ও বেশিরভাগ এক শ্রেণীর অসৎ কাঠ ব্যবসায়ীর মাধ্যমে পানির দরে মাত্র ৪০ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগে জানা যায়। বিক্রি করা গাছের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে গাছ কাটা শ্রমিকদের দিয়ে ৬৬৫টি অপরিপক্ক গাছগুলো কেটে নিয়েছে ঐ প্রভাবশালী মহল । বর্তমানে বাদবাঁকি গাছ গুলো ও কেটে নেয়ার অপচেষ্ঠা করা হচ্ছে। বিক্রি করা গাছের টাকা সদস্যদের শতকরা পাওনা ৭৫ ভাগ টাকার হিস্যা না দিয়ে সদস্যদের মধ্যে মাত্র ১ হাজার ১থেকে দেড় হাজার টাকা অথবা কোন কোন সদস্য তাদের স্বার্থ হাসিল করে ২টি/৩টি করে গাছ নিয়েছেন। এই গাছগুলি দিয়ে তারা ফার্ণিচার সামগ্রী তৈরি করছেন। আবার কেউ দোকানের কাজে ব্যবহার করেছেন।
স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় মান্দা সদর ইউনয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহম্মেদ হিন্দোল এর নিরব সমর্থনে প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে একটানা গাছ কাটা কার্যক্রম চলে। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ঐ গ্রামের কতিপয় প্রভাবশালী মহলের নির্দেশে ও প্রত্যক্ষ মদদে শ্রমিক লাগিয়ে দিয়ে দিনের পর দিন প্রায় ২ মাস ধরে গাছ কাটা উৎসব চললেও প্রশাসনের কোন মাথা ব্যথা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। স্থানীয় ও সচেতন মহল অসহায়ের মতো প্রশাসনের দিকে চেয়ে রয়েছেন। তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও তারা অবৈধভাবে গাছ কাটার বিচার চান। তবে বর্তমানে অল্প সময়ের জন্য গাছ কাটা বন্ধ দেখা যায়। সরেজমিনে উপজেলার সদর মান্দা ইউনিয়ন এর এসব রাস্তায় গিয়ে দেখা যায় কর্তন করা কোন কোন গাছের গোড়ার অংশ পর্যন্ত নেই। মহামূল্যবান এ গাছগুলো কেন বিক্রি করা হচ্ছে তা তাদের বোধগম্য হচ্ছে না। এটির পিছনে কোন মহলের ইন্ধন রয়েছে। এ সময় বাকি ১৭ জন সদস্যসহ এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাঁধা দিলেও ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু তাদের দাবী নিয়ম অনুযায়ী যেন গাছগুলো কাটা হয়। তারা অবিলম্বে অবৈধভাবে নিলাম ডাকা ঐ গাছ বিক্রির অবৈধ নিলাম বন্ধের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একে অপরকে দোষারোপ করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন ডেপুটি কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরে ।
মান্দা সদর ইউনয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহম্মেদ হিন্দোলের সাথে কথা বললে তিনি জানান,আমাকে জড়িয়ে অনেক জায়গায় নানা কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তিনি এর সাথে জড়িত নয়।
এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুর রহমানের এর নিকট নিলাম ডাকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমার এ উপজেলায় যোগদানের আগেই গাছগুলি কাটা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তিনি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদেকুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত হলে বিষয়টি জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131

Comments are closed.

More News Of This Category
Developed and Hosted By: ALL IT BD 01722461335