themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131ঢাকা: চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য সতর্কমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হুলেও মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে রেপো ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর আতিউর রহমান এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এসময় ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা রাজী হাসান, এস কে সুর চৌধুরী, নাজনীন সুলতানা, প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরুপাক্ষ পাল, চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাডভাইজার আল্লাহ মালিক কাজেমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতি প্রকাশনায় জানানো হয়, এবারের মুদ্রানীতি হবে সতর্কতামূলক। তবে সম্পূর্ণভাবে প্রবৃদ্ধিবান্ধব যা ২০১৬ অর্থবছরে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২ শতাংশে ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে রিজার্ভ মুদ্রার যোগান বাড়তে পারে ১৬ শতাংশ হারে। একই সঙ্গে ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ বাড়বে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ হারে, যা বিগত অর্থবছরে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছরে অভ্যন্ত্যরীণ খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ এবং সরকারের ঋণ বাড়বে ২৩ দশমিক ৭ শতাংশ হারে।
এসব কারণে বাজারের মুদ্রা সরবরাহ বাড়ালেও মূল্যস্ফীতি ধরে রাখতে রেপো ও রিভার্স রেপো যথাক্রমে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যে কোনো সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার পুনর্বিবেচনা করবে।
রপ্তানি উৎসাহিত করতে ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) মার্কিন ডলারের দুটি বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়া হয় এ মুদ্রানীতিতে।
ঘোষণাকালে গভর্নর বলেন, এ ফান্ডের টাকা মূলত মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য দেয়া হবে। প্রয়োজনে দেশীয় ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক বাজারে টিকিয়ে রাখতে এ ঋণের বিপরীতে সুদের হার প্রচলিত হারের চেয়ে কমানো হতে পারে।
তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ জোরদার হওয়ার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বর্তমান বৃদ্ধির হারেও শিথিলতা আসবে। উল্লেখিত তহবিল গঠন এবং বিদেশ থেকে ঋণ নেয়া সহজ হওয়ায় দেশের ভেতরে ব্যাংক খাতে তারল্যের উদ্বৃত্তের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাকে চ্যালেঞ্জ বলে উল্লখ করে আতিউর রহমান বলেন, এতে যে উদ্বৃত্ত থাকবে তা কৃষি, এসএমই ও অন্যান্য উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের চেষ্টা করা হবে। এতে সামগ্রিক সুদের হার কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।