themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131
ঢাকা: আপনার মনে যদি বিষণ্নতা বাসা বেঁধে থাকে তবে তা দূর করবে ফেসবুক। আর এজন্য আপনাকে ফেসবুককে ‘লাইকিং’ এবং ফেসবুক বন্ধুর সংখ্যা কমাতে হবে। এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
গবেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো তরুণদের মধ্যে ভালো এবং খারাপ দু’ভাবেই প্রভাব ফেলে। ৩০০ এর বেশি বন্ধু তরুণদের মধ্যে কর্টিসলের মাত্রা বৃদ্ধি করে যারা শুধু ফেসবুক বন্ধুদের পোস্টে লাইক দেয়। যা অন্য বন্ধুদের কর্টিসলের মাত্রা কমায়।
মনট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সনিয়া লুপিয়েন বলেন, ‘যাদের ফেসবুক বন্ধু সংখ্যা ৩০০ অতিক্রম করে, সেইসব তরুণদের কর্টিসেল মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আমরা চিন্তা করতে পারি, যাদের বন্ধু সংখ্যা এক হাজার অথবা দুই হাজার হয়, ফেসবুক তাদের জন্য আরও বেশি বিষণ্নতার কারণ।’
লুপিয়েন আরও বলেন, ‘যদিও আরও কিছু বহিরাগত কারণ ও এই বিষণ্নতার জন্য দায়ী। আমরা অনুমান করতে পারি যে, ৮ শতাংশ তরুণের মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে ফেসবুক কর্টিসলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।’
যেসব তরুণ পড়াশোনার সময় বিষণ্নতায় ভোগে, তাদের ঝুঁকির মাত্রা যে কম নয় এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত দেননি লুপিয়েন।
‘আমরা আমাদের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কোন বিষণ্নতা দেখিনি। যদিও তরুণদের মধ্যে যারা অতিরিক্ত চাপে থাকেন, তারা সহজে বিষণ্নতায় পড়েন না। তবে এটা পড়েও হতে পারে বলে মতামত ব্যক্ত করেন লুপিয়েন।
তবে তিনশ’র নিচে বন্ধু রাখা এবং তাদের পোস্টগুলো নিয়মিত পড়া এবং তাদের সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখার মাধ্যমে তরুণদের বিষণ্নতা দুর হতে পারে।