themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131
ঢাকা: মুখের না বলা কথাগুলো অনায়াসে বলতে পারে অপরূপ এক জোড়া চোখ। আকর্ষণীয় চাহনী আনতে সে চোখের তুলনা নেই। আর সে কারণে সুন্দরীরা তাদের সাজের সময় চোখে কাজলের ছোঁয়া দিতে একদমই ভুলে যান না। সময়টা শীতকাল হওয়াই চোখে দেয়া কাজলের নকশাও লেপটে যাওয়ার ভয় নেই। তাই অনায়াসে চোখ জোড়া সাজিয়ে নিতে পারেন।
হালকা, ভারি ও মাঝারি সাজে চেহারাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় আর মোহনীয় করে তুলতে কাজল হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা হলো কাজল দেয়ার ঢঙে আপনার চেহারার আদলই বদলে যেতে পারে। আপনার চোখে সাদামাটা সাজ, নাকি জমকালো পার্টির সাজ তা কাউকে বলে দিতে হবে না, একনজর দেখলে যে কেউই বুঝে যাবে।
সাজের আগে অবশ্যই চোখটি ভালো করে পরিস্কার করে নিতে হবে। এবার ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আদ্রতা ঠিক করতে হবে। এখন সিদ্ধান্ত নিন আপনি কোথায় যাচ্ছেন, পরিহিত পোশাকটি কেমন এবং গন্তব্যস্থলের পরিবেশ কেমন। যদি সাধারণ কোনো অনুষ্ঠান হয় তবে হালকা করে চোখের পাপড়ির গোড়ায় কাজলের গাঢ় দাগ দিতে পারেন। পার্টি বা জন্মদিনের অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই পোশাকটাও তেমন হবে। তাই পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চোখের কাজল পরতে হবে। এক্ষেত্রে,
– প্রথমেই মেকআপের বেইজ তৈরি করে নিতে হবে। বেইজ মানে ত্বক পরিষ্কার করে ফাউন্ডেশন, ফেস-পাউডার লাগিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা সৃষ্টি করা।
– এরপর পরিহিত পোশাকের রঙ অনুযায়ী ভ্রুর নিচের অংশে হাইলাইটস দিন। পোশাকের রঙ অনুযায়ী গোল্ডেন রঙের শ্যাডোর দিলে ভালো লাগবে। আপনি যদি ডার্ক রঙের পোশাক পরে থাকেন, তাহলে শ্যাডোর উপর একটু কালচে ভাব আনতে পারেন। সাজের গভীরতা বজায় থাকবে।
– তারপর গাঢ় করে মোটা কাজলের দাগ দিন। চোখের শেষ মাথাটায় একটু লম্বা করে দাগ দিতে হবে। চোখের নিচেও মানানসই দাগ দিন।
– কাজলের ওপর পোশাকের রঙের আইশ্যাডো দিলেও দারুন একটা রঙ আসবে। সবশেষে চোখের পাঁপড়িতে মাসকারা লাগিয়ে দিন।
মোটকথা আপনার রুচির ওপর নির্ভর করবে সাজের ধরণ। বাজারে এখন নানা ব্র্যান্ডের ভিন্ন দামের কাজল পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যেও রয়েছে কাজলের বিভিন্ন ধরণ। সুন্দরীদের কাছে সবচেয়ে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সমাদৃত হল পেনসিল লাইনার কাজল। এ কাজল লাগাতেও সুবিধা, আবার স্থায়িত্বও ভালো। পেনসিল লাইনারের মধ্যে রয়েছে নিয়র, জর্ডানা, জ্যাকলিন, আয়োনি, পারসোনি, লাফেম, মেবিলিন, লরিয়েল, ল্যাকমে, মিস অ্যান্ড মিসেস। এগুলোর দাম পড়বে ৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়াও আছে ম্যাক, শ্যানেল, ক্লিনিক, গার্লিন ইত্যাদি। এগুলোর দাম পড়বে এক হাজার ৯০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।
ব্যবহার করতে পারেন লিকুইড লাইনার। ব্রাশের সাহায্যে এটিও ইচ্ছামতো লাইনিং করা যায়। মোটা, সরু বা মাঝারি যেকোনো ভাবেই আপনার চোখকে সাজাতে পারেন। ল্যাকমে, লা ফেম, প্রেস্টিজ, রেভলন, আয়োনি, লা-স্পল্যাশ, জ্যাকলিনগুলো দাম পড়বে ১৫০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।
এছাড়াও কিশোরী থেকে বয়সীরা পর্যন্ত এখন রঙিন লাইনার বেছে নিচ্ছেন। এর ব্যবহারে আলাদা করে আই শ্যাডো লাগানোর চিন্তা থাকে না। তাই ব্যস্ততার ভিড়ে সময়ে বাঁচাতে রঙিন লাইনার বেছে নিতে পারেন। করতে পারা এ ফ্যাশন এখন এত জনপ্রিয়। কিনতে পারেন জর্ডানা, জ্যাকলিন, মিস অ্যান্ড মিসেস, এভার বিউটি ইত্যাদি। এগুলোর দাম পড়বে ৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। তবে সব সময় চোখের যত্নে ভালো মানের লাইনার ব্যবহার করা উচিৎ।