themesdealer domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/onlinebangla24/news17.onlinebangla24.com/wp-includes/functions.php on line 6131বাগেরহাট সাংবাদদাতা : বাগেরহাটে নদীতে পূর্ণিমার জোয়ারের অস¦াভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন স্থানে বেড়ি বাঁধ উপচে ও ভেঙে নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে নদী তীরবর্তি হাট-বাজার, মিল কল-কারখানা, মাছের ঘের, পুকুর, ফসলি জমিসহ কয়েকটি গ্রামের সহ¯্রাধিক ঘর-বাড়ি।
এলাকাবাসি জানায়, বাগেরহাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দৈবজ্ঞহাটি ও নাজিরপুর প্রকল্পের বেড়ি বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে ঘর-বাড়ি এবং ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলার যাত্রাপুুর বাজার এবং সংলগ্ন কয়েকটি গ্রামের বাঁধ উপচে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। ফলে, জলমগ্ন ওই সকল এলাকার সহ¯্রাধিক পরিবার এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম জানান, রোববার দুপুরে জোয়ারের পানির চাপে ভৈরব নদী তীরবর্তি বেড়ি বাঁধ ভেঙে বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কোড়ামারা মধ্যপাড়া এলাকার কয়েশ’ ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। দ্রুত বেড়ি বাঁধটি সংঙ্কারের দাবি জানান তিনি।
মোরেলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ গ্রামের ফেরদৌস মুন্সি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৈবজ্ঞহাটি প্রকল্পের নির্মানাধীণ বেড়ি বাঁধ ভেঙে পঞ্চকরণ বাজার ও গ্রামের দুই – তিন শ’ ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবারে রান্না-বান্না বন্ধ হয়ে গেছে।
এ সব এলাকার ফসলি জমি, মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
যাত্রাপুর বাজারে মুদি দোকানি মো. জামাল হোসেন বলেন, হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া জোয়ারের পানিতে মালপত্র সরিয়ে নেয়ার আগেই দোকানে থাকা সব কিছু তলিয়ে গেছে। বাজারের অধিকাংশ দোকানীরই একই অবস্থা বলে জানান তিনি।
যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন বলেন, ভৈরব নদীতে জোয়ারের পানি অতিরিক্ত বৃদ্ধির ফলে বেড়ি বাঁধ উপচে সমৃদ্ধি যাত্রাপুর বাজার প্লাবিত হয়েছে। পানির কারণে বাজারের দোকান পাট, মিল কল-কারখানা, খাদ্য গুদাম তলিয়ে গেছে।
পানি বন্দি হয়ে পড়েছে ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের শতাধিক বসত বাড়ি। মাছের ঘের, পুকুর, ফসলি জমিসহ সব কিছু তলিয়ে গেছে।
বাগেরহাট পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইনদ্দিন বলেন, পূর্ণিমার জোয়ারের পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার সকল নদ-নদীর পানি দুই থেকে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ঝুঁকি পূর্ণ ও ভেঙে যাওয়া বাঁধ গুলোর মেরামত কাজ চলছে।